ফেয়ার প্রাইজ ডিলারদের বরাদ্ধকৃত ৯শ বস্তা চাল ক্রয় ঃ রাজিবপুর খাদ্য গুদামে তুলকালাম কান্ড!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) :
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর খাদ্যগুদামে ফেয়ারপ্রাইজ ডিলারদের চাল ক্রয়কে কেন্দ্র করে এক তুল কালাম কান্ড ঘটেছে। গত ৩ দিন যাবত এ নিয়ে প্রথমে খাদ্যগুদাম ছিলগালা। শর্ত সাপেক্ষে ১দিন পর খুলে দিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন এবং তা পর্যবেক্ষণ করে ৩ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে,নাজমা চাল কল মিল ও রুমী চালকল মিল প্রোপাইটার ইউসুফ আলী গত বৃস্পতিবার ৯শত বস্তা( প্রতিবস্তা ৫০কেজি) পুরাতন চাল রাজিবপুর খাদ্য গুদামে উত্তোলন করে। এ খবর শুনে আজাহার ও মোতালেব নামের ২ ব্যক্তি চর রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেন। উপজেলা নির্বাহী মহোদয় খাদ্য গুদামে গিয়ে সত্যতা পান এবং তাৎক্ষনিক ভাবে গুদাম ছিলগালা করে দেন। পর দিন শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্যবস্থাপক েেমা:রুমন কে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন এবং ছিলগালা খুলে দেন এবং গুদামের চাবি তদন্ত কমিটির হাতে হস্তান্তর করেন। প্রয়োজনে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি খাদ্য গুদামের মালামাল উত্তোলন ও মালামাল বাহির কার্যে সহযোগিতা করছেন। অভিযোগে জানা গেছে, নাজমা ও রুমী চাল কল মালিক দ্বয় খাদ্য গুদামের ধান ক্রয় করার পর সেগুলো মিল থেকে ভাংগানোর পর বাহিরে চড়া দামে বিক্রি করে। উপ-খাদ্য পরিদর্শকের সাথে যোগসাজসে বাজারের নি¤œ মানের চাল ও ফেয়ারপ্রাইজ ডিলার সাথে ১০ টাকা মূল্যের চাল স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে। পুনরায় সেই চাল ৩২টাকা দরে খাদ্য গুদামে ক্রয় দেখান। এতে চাল কল মালিক ও ওসিএলএসডির সমন্বয়ে তা খাদ্যগুদামে উঠে। দীর্ঘ দিন যাবৎ তারা এ ব্যবসা করে আসছে বলে অভিযোগ কারীরাা জানান।এ ব্যাপারে চর রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মেহেদী হাসান সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উক্ত চাল কল মালিককে পূণরায় সম পরিমান চাল খাদ্য গুদামে দেওয়ার জন্য আদেশ দেন। যা গত শনিবার ৪৯৫ বস্তা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে বুঝিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না ও উপ-খাদ্য পরিদর্শক কেন পুরাতন চাল ক্রয় করলেন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্ব-স্ব কর্কৃপক্ষের মাধ্যমে কৈয়ফত তলব করেছেন। এ ব্যাপারে চর রাজিবপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদৎ হোসেন জানান,আমি ৩ সদস্য তদন্ত কমিটির সাথে কাজ করছি। গুদামের সকল মালামাল হিসাব নিকাশ করে এবং কত বস্তা পুরাতন চাল ক্রয় করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিব। এ জন্য জেলা খাদ্য কর্মকর্তার নিকট পরীক্ষার টিম চেয়েছি। উপ-খাদ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যব্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে বলেছি। অভিযুক চাল কল মালিক স্বতাধিকারী মো. ইউসুফ আলী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,উপ-খাদ্য পরিদর্শক ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা যোগ সাজস করে এখানে আমাকে ফাসানো হচ্ছে।আর এখানে সাবেক চেয়ারম্যান পক্ষ আর বর্তমান চেয়ারম্যান পক্ষের ইগো কাজ করছে। এ ব্যাপারে রাজিবপুর খাদ্য গুদামের উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো.আবু বক্কর জানান, আমি দীর্ঘ দিনের বিষ¦াসে চাল চেক না করে চাল গুলো উত্তোলন করেছি। সে কারণে এটি আমার ভুল হয়েছে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ ফেয়ারপ্রাইজ ১০ জন ডিলার পক্ষে ১৬৩ টন ৮০০ কেজি চাল উত্তোলন হয়। তা ডিলারগণ অধিকাংশ সুবধা ভোগীদের নিকট থেকে কম দামে ক্রয় করে চাল মিল ও উপ-খাদ্য পরিদর্শকের সাথে যোগ সাজসে ব্যবসা করে আসছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code