ফ্রান্সের আইসিইউতে প্রথম করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual5 Ad Code

ফ্রান্সে করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বৃহস্পতিবার এই প্রথম দেশটির আইসিইউতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। দেশটিতে আগের দিনের তুলনায় আইসিইউতে নেয়া রোগীর সংখ্যা ৮২ জন কমেছে। খবর এএফপি’র।

Manual7 Ad Code

ফ্রান্সের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জারোম সালোমোন সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে দেশটির আইসিইউতে ৭ হাজার ৬৬ জন করোনাভাইরাস রোগী ভর্তি রয়েছেন। তিনি আরো জানান, ফ্রান্সের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বৃদ্ধনিবাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে ১২ হাজার ২১০ জনে দাঁড়িয়েছে।

Manual1 Ad Code

দেশব্যাপী জনগণকে লকডাউন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। এসব পালনের মধ্য দিয়ে আমরা মহামারি করোনাভাইরাস রোধের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের এ প্রতিরক্ষা কৌশল সুফল আনতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে আরো সফলতা পেতে লকডাউন, কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সরাসরি যোগাযোগ কমানো অব্যাহত রাখা অপরিহার্য। আমরা সবাই মিলে এগিয়ে আসলে এই রোগ একেবারে নির্মূল করতে পারবো। আপনারা সবাই একযোগে কাজ করায় এই প্রথম আজ বিকেলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।’

গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সের হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরো ৪১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৫৪১। তবে বুধবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বৃদ্ধনিবাসে মৃত্যুর সংখ্যা জানা যায়নি।

Manual6 Ad Code

দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬ হাজার ৩৩৪ জনে দাঁড়ালেও কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে জানান, আরো অনেকের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়নি। চিকিৎসকদের ইউনিয়ন জানায়, ফ্রান্সের এ পর্যন্ত মোট ১৬ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির মোট জনসংখ্যা ৬ কোটি ৭০ লাখ। এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রোধে গত ১৭ মার্চ লকডাউন ঘোষণা করে তা পালন করে আসছে দেশটি। কেবলমাত্র জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়ার সুযোগ থাকলেও এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবশ্যই উপযুক্ত প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code