

বিশেষ প্রতিবেদন: ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য প্রাণ দেন সালাম, বরকত, রফিক,জব্বারসহ নাম না জানা অনেকে। একুশের সেই চেতনাকে ধারণ করতেই শুরু হয়েছিল বাঙালির প্রাণের মেলা বইমেলা। বুধবার বিকালে বইমেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, অসংখ্য দর্শনার্থীর ভিড়ে মুখরিত বইমেলা প্রাঙ্গণ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে অনেকেই ঘুরতে এসেছেন বইমেলায়। কিনছেন বই, প্রিয়জনকে দিচ্ছেন উপহার। এদিন বইমেলায় অধিকাংশ মানুষের গায়েই ছিল একুশের শোকের প্রতীক কালো
রঙয়ের পোশাক। আজ মেলা শুরু হয় সকাল ৮টায়। যদিও সকালে মেলায় ছিল না তেমন ভিড়। ১০টা পর্যন্ত বই বিক্রি খুব একটা হয়নি বলেই জানান ব্যবসায়ীরা। বইমেলায় মূল ভিড় শুরু হয় বিকালের পর থেকে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনেকেই সরাসরি চলে আসেন বইমেলায়। মেলায় আসা দর্শনার্থী ছাড়াও অনেক প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মীরাও এদিন কালো শাড়ি ও কালো পাঞ্জাবি পরে তাদের স্টলে আসেন। ভাষাচিত্র প্রকাশনীর জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আমাদের স্টলের সব বিক্রয়কর্মীর জন্য আগে থেকেই আজকের দিনের ড্রেসকোড রেখেছিলাম কালো। শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতেই আমাদের এই
ড্রেসকোড। মেলায় আসা দর্শনার্থী মরিয়ম আক্তার সনিয়া আসেন তার পরিবারের সঙ্গে। পরিবারের সবাই পরেছিলেন কালো রঙয়ের পোশাক। মরিয়ম জানান, মূলত শহীদ দিবস হওয়ার কারণেই এদিন মেলায় আসতে কালো রঙয়ের পোশাককে বেছে নিয়েছেন তারা। মেলায় আসা আরেক দর্শনার্থী রকিবুল হাসান জানান তিনি ও তার বন্ধুরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বের হয়ে একবারে বইমেলায় ঢুকেছেন তারা। শহীদ মিনারে সব বন্ধুরা কালো পাঞ্জাবি পরেই গিয়েছিলেন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে।