বর্ষার প্রভাব ডিমে, স্থিতিশীল মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:পরিস্থিতিতে সাধারণত বাজারে পণ্য সরবরাহে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। যার প্রেক্ষিতে অনেক পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তবে এখন পর্যন্ত বর্ষার প্রভাব ডিমের উপর পড়লেও অন্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল দেখা গেছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ডজন ছিল। তবে বাজারগুলোতে মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, ডিমের দাম আগের তুলনা ১০-১৫ টাকা ডজনে বেড়েছে। এক ডজন সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম ১২০ টাকা আর ব্রাউন কালারের ১৩০টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজন ছিল।

Manual3 Ad Code

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

Manual8 Ad Code

এ ছাড়াও মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

এদিকে মানভেদে চিংড়ির কেজি ৬০০ থেকে ৮০০, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কৈ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে চাষের কৈ, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম।

Manual4 Ad Code

আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বোয়াল মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code