বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি ও দাবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদে সাথে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বৈঠক

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

Manual2 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:যুক্তরাষ্ট্রে সফররত বিএনপির বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ও অঙ্গসংগঠনের ও সকল পর্যায়ের কমিটি ও নেতা=কর্মীদের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি, আন্তরিকতার সাথে হোটেল লবিতে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।বিশেষ করে গত ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাস থেকে পতিত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম ও ২৪ শের জুলাই আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিদের্শনা মাফিক বাংলাদেশের জনগণ ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স য়োদ্বাদের উজ্জীবিত রাখার কারনে উপস্থিত নেতা=কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাস থেকে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপিরকে জয়যুক্ত করায় সকল নেতাকর্মীদের ও প্রবাসীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে আন্দোলন সংগ্রাম করার পরও নেতাকর্মীদের হতাশ ও কমিটি বিলম্বিত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি নাই তিনি সবকিছুই আবগত বলে জানিয়েছেন ।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে করে বলেছেন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় সম্মেলন এর পর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি অথবা অন‍্য কোন বূহৎ নামে কোন শক্তিশালী মাদার সংগঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন হতাশ হবেন না আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করছে দেশ ও প্রবাসের সকল নেতৃবৃন্দ কে মূল্যায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি এখন দেশ ও প্রবাসে অনেক বড় মাপের দল।আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপির পক্ষে কাজ করতে হবে। কারন দেশ ও প্রবাসে বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এই পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির পর আর কোন কমিটি করা হয় নাই তার মানে কোন সাংগঠনিক কাঠামো নাই।

Manual7 Ad Code

বলতে গেলে কোন চেইন অব কমান্ড নাই কিন্তু বিএনপি দলের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে আসছেন ২০১৫ সালে বতর্মানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংগঠনিক ক্ষমকাবলে য়ুক্তরাস্টের প্রতিটা স্টেটে/অংগরাজ‍্যে আলাদা আলাদা স্টেট কমিটি করার জন্য তৎকালীন বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলনকে কমিটি করার জন্য য়ুক্তরাস্ট্রে পাঠিয়েছিলেন জনাব এহসানুল হক মিলন ৮/১০ স্টেট কমিটি করেছিলেন সম্ভবত ৮ টি কমিটি কেন্দ্র অনুমোদন পেয়েছিল।পরবর্তীতে বিএনপির আরেকজন আন্তর্জাতিক সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন খোকনকে লন্ডন থেকে উত্তর আমেরিকার সাংগঠনিক দায়িত্ব দেন। জনাব খোকন অদ‍্যবধি গত ৫/৬ বছরে সফলতার সাথে ১৮/২০ স্টেটে কমিটি করতে সক্ষম হন। সবগুলি স্টেটে পূর্ণ কমিটি হলেও একমাত্র নিউইয়র্কে একটি স্টেটের মাঝে তিনটি সমান মর্যাদায় ৩টি সুপার ফাইভ কমিটি আজ থেকে দুই বছর আগে অনুমোদন লাভ করেছিল। আজও পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

Manual1 Ad Code

কিন্তু প্রধান বিষয়বস্তু হলো বিভিন্ন অংগরাজ‍্যে আলাদা কমিটি গঠন করা হনেও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একটা বিশাল অংশ ২০১১ সালের পর তাদের আর কোন সাংগঠনিক দায়িত্ব নাই। ৪০ /৩০ বছর দল করার পরও আজ তারা অবহেলিত। নেই কোন পরিচয় যা অত‍্যন্ত হতাশাগ্রস্ত।অথচ যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকর্মীদের প্রায় সকলে ক্রোয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে বিএনপিরকে জয়যুক্ত করেছেন।আরো উল্লেখযোগ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের অংগরাজ‍্যের কমিটিগুলোকে মহাসচিব সাক্ষরিত সম্বলিত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ত‍্যাগী নেতা-কর্মী এইটাও জানতে পারি তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংগরাজ‍্যের কমিটিগুলোকে জেলা মর্যাদায় অনুমোদন করা র আদেশ দিয়েছিলেন।

যেহেতু আমরা দলের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে কাজ করেছি দলের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত মনে করি।
তাই বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যেমনি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আছে, ঠিক তেমনি উত্তর আমেরিকাকে সাংগঠনিক বিভাগ ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে উত্তর আমেরিক বিএনপি বিভাগীয় মযাঁদায় করলে দীর্ঘ দিন যুক্তরাষ্ট্রে পদবন্ঝিত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ও অংগসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে নবদিগন্তের সূচনা হবে এবং উত্তর আমেরিকায় শক্তিশালী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করা সম্ভব হবে।

Manual2 Ad Code

জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের পরামর্শ ও দাবি আগামী বিএনপির কাউন্সিলে
দেশের আটটি বিভাগে বিভাগীয় কমিটি গঠনের বিধান সংযোজন করলে উত্তর আমেরিকা বিএনপিকে (যুক্তরাষ্ট্র কানাডা) কে বিভাগীয মর্যাদায় ও প্রবাসের আরব আমিরাত ও ইউরোপী অল্চলকে ও আফ্রিকার দেশ গুলোতে বিভাগীয় কমিটি করে বিএনপিকে সংগঠিত করা সহজ হবে। অনদিকে বেশী বেশী প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আগামী নিবার্চন পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের পক্ষে জোরালো সমর্থন বাড়বে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code