বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual3 Ad Code

সম্পাদকীয়: গত ১১ জুলাই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সীমিত আকারে ভারতীয় মুদ্রা রুপিতে লেনদেন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বা ভারত কোনো দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেই রুপিতে লেনদেনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। তাই সংশয় দেখা দিয়েছে রুপিতে বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে। বস্তুত বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতেই চালু করা হয়েছে এ বিকল্প ব্যবস্থা।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই দেখা দিয়েছে মার্কিন ডলারের সংকট। তাই বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডলারের বিকল্প মুদ্রা খুঁজছে অনেক দেশই। বলা যায়, বাংলাদেশও প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে বেছে নিয়েছে একটি বিকল্প ব্যবস্থা। তবে খতিয়ে দেখা দরকার এ ব্যবস্থায় আমাদের জন্য কতটা সুফল মিলবে, ডলারের ওপর চাপ কতটা কমবে।

Manual2 Ad Code

নতুন এ লেনদেন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে রুপিতে লেনদেন করলেও ভারত বাংলাদেশি মুদ্রা টাকায় লেনদেন করবে না। ফলে টাকা শক্তিশালী হবে না। অর্থাৎ এ ধরনের লেনদেনের ভালো দিক যেমন রয়েছে, তেমনই আছে মন্দ দিকও। ভালো দিক হলো-দুই দেশের ব্যাংকে সরাসরি রুপিতে এলসি খোলা যাবে। এতে ফি, চার্জ, কমিশন ও সুদ কমবে; সময় ও খরচ বাঁচবে। সবচেয়ে ভালো দিক-কমবে ডলারনির্ভরতা। অন্যদিকে, মন্দ দিক হলো-ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির চেয়ে আমদানি বহুগুণ বেশি হওয়ায় এলসি খোলার মতো পর্যাপ্ত রুপি মিলবে না। ফলে বাড়তি রুপি সংগ্রহে ভারত থেকে ঋণ নিতে হবে বা রিজার্ভ থেকে ডলার দিয়ে রুপি কিনতে হবে। তাছাড়া ডলারের চেয়ে রুপিতে সুদের হার বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার চেয়ে রুপির মানও কমেছে বেশি।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code