বিএনপিকে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: বিএনপিকে প্রকাশ্যে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। তিনি শনিবার (৪ নভেম্বর) নগরের আম্বরখানায় ইউনিমার্ট কমপ্লেক্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‌‌‌’বিএনপি আন্দোলনের নামে মিথ্যাচারের রাজনীতি শুরু করেছে। ২৮ তারিখ শান্তিপূর্ণ সমাবেশের কথা বলে তারা পুলিশ হত্যা, সাংবাদিক নির্যাতন, বিচারকের বাসায় হামলা ও হাসপাতালে আগুন দিয়েছে। এর জন্য জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে দোষীদের দল থেকে বহিষ্কার করা উচিৎ।’

Manual4 Ad Code

একইসঙ্গে বিএনপির নেতাদের প্রতি সন্ত্রাস ও মিথ্যাচারের পথ ছেড়ে নির্বাচনে আসার আহবান জানান তিনি।

Manual7 Ad Code

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, জো বাইডেনের কথিত ভুয়া উপদেষ্টা সম্পর্কে আমেরিকা বলেছে ঐ লোক তাদের কেউ না। আমেরিকা তাদের আইনে হয়তো তার বিচার করবে, বাংলাদেশের আইনেও তার বিচার হবে।

দুপুরে মন্ত্রী সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প (প্যাকেজ-২) উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‌’সংবিধান অনুযায়ী স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এ ব্যাপারে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আসলে আমরা ক্ষমতায় আসব, না হলে আমরা ক্ষমতায় আসবো না।’

প্রায় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তামাবিল সড়কের সুরমাগেইট এলাকায় তামাবিল মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প প্যাকেজ-২ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট-ঢাকা সড়কের ব্যয় ১৭ হাজার কোটি এবং সিলেট-তামাবিল সড়কের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় কাজ দীর্ঘায়িত হয়।’

কাজ দেরি হলে এর ব্যয়ও বাড়ে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না সেটা মনিটরিং করার আহবান জানান।

Manual5 Ad Code

জানা যায়, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পীর হবিবুর রহমান চত্বর থেকে তামাবিল পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য মোট ৫৬.১৬ কিলোমিটার। পৃথক এসএমজিটি লেনসহ ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়া জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বৈদেশিক ও দেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধিকরণ; প্রকল্প এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবন জীবিকার মান উন্নয়ন; অত্র অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন; এবং একটি নিরাপদ, টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।

প্রকল্পের আওতায় রয়েছে, ৫টি সেতু, ২২টি কালভার্ট, ১১টি ফুটওভার ব্রীজ, ৭টি বাস স্ট্যান্ড, ৬টি ইউলুপ এবং একটি টোলপ্লাজা।

উন্নয়ন প্রকল্পটি ২০২৫ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ায় কথা রয়েছে। প্রকল্পের সহযোগিতায় রয়েছে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেষ্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code