বিএনপি’র রাজনীতির অন্যতম মূল প্রতিপাদ্য ভারত বিরোধিতা

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সমপ্রীতি ও মৈত্রী রক্তের অক্ষরে লেখা এবং এ মৈত্রী অবিচ্ছেদ্য। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সঙ্গে ভারতের অবদানের কথা স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। গতকাল দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ-ভারত সমপ্রীতি পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশ ও ভারতের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মো. ফজলে আলীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মমতাজ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সাবেক রাষ্ট্রদূত বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সালাউদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক তালুকদার প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭১ সালে ভারতের সার্বিক সহযোগিতা ছাড়া কখনো আমাদের পক্ষে নয় মাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভবপর হতো না। একাত্তর সালে এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। ভারত পরবর্তীতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণার পর ভারতের সেনাবাহিনী আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে একযোগে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।
ভারতের সেনাবাহিনীর শত শত সদস্য আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য শহীদ হয়েছে। তাই ভারতের সঙ্গে আমাদের যে মৈত্রী, আমাদের যে সম্পর্ক, সেটি রক্তের অক্ষরে লেখা। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এবং ভারতের নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী একটি নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। আমাদের দুর্যোগ, দুর্বিপাকে ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, আমরাও সামর্থ্য অনুযায়ী ভারতের প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি-এভাবেই বন্ধুত্ব সুদৃঢ় হয়। উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে সমপ্রীতি, সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার মধ্যেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন নিহিত উল্লেখ করে বাংলাদেশ-ভারত সমপ্রীতি পরিষদ দু’দেশের মধ্যে আরও বেশি সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও দু’দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ড. হাছান মাহমুদ। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল ভারতের এই অবদানকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে, ভারতবিরোধী বক্তৃতা দেয়। তাদের রাজনীতির অন্যতম মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ভারতবিরোধিতা এবং নির্বাচন এলে তাদের ভারতবিরোধী বক্তৃতা বেড়ে যায়। তিনি বলেন, তারা যখন ক্ষমতায় ছিল আমরা দেখেছি, একদিকে দেশে বসে ভারতবিরোধিতা করে আবার ভারতে গিয়ে একেবারে নতজানু নীতি অবলম্বন করে। তাদের নেত্রী ভারত থেকে দামি শাড়ি পরে এসে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বক্তৃতা দেয়। বিএনপিসহ যে সমস্ত রাজনৈতিক দল ভারতবিরোধী রাজনীতি ও বক্তব্য দিয়ে প্রেস ক্লাব-নয়াপল্টন-টেলিভিশনের পর্দা গরম করে, তারা আবার ভারতীয় হাইকমিশনে ইফতার করতে যায়। আশা করবো তাদের এই অপরাজনীতি বন্ধ হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code