

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি করেছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।
সোমবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শ্যামলীতে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান। ‘বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক পুলিশ হত্যা, কাকরাইল মসজিদ ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অবৈধ অবরোধের প্রতিবাদ’ শীর্ষক অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শেখ পরশ বলেন, যতদিন বিএনপি-জামায়াত অবরোধ দেবে, যতদিন নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে আমরা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই থাকব। আমরা বার বার দাবি তুলেছি এই সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আসল পরিচয় জানা জনগণের এবং আজকের প্রজন্মের অধিকার। এই অধিকার আমাদেরকে দিতে হবে।

‘আমরা জানতে চাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের জিয়াউর রহমানের প্রকৃত ভূমিকা, সে কীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করেছে তা জানার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠনের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের প্রকৃত মুখোশ উন্মোচিত হওয়া দরকার। তারেক জিয়ার মুখোশ আজকে আপনাদের সামনে পরিষ্কার হচ্ছে, জিয়াউর রহমানও মুখোশধারী, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস, জামায়াতের দোসর। তার মুখোশ উন্মোচিত হবে।-যোগ করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান।
শেখ পরশ বলেন, ‘আজকে যে ধ্বংসলীলা যে সন্ত্রাসীবাহিনী করছে তাদের আসল পরিচয় কী? তাদের আসল পরিচয় আলবদর, আল-শামস, রাজাকার বাহিনীর সঙ্গে তাদের সখ্যতা। যাদের হাতে লেগে আছে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের দাগ, যা এখনও মুছে যায়নি। তাদের দোসর সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি। যারা এদেশকে একটি পশ্চাদপদ সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।
যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর অপশক্তি বলে টেকব্যাক বাংলাদেশ। সুতরাং আমরা পেছনের দিকে যেতে চাই না, আমরা সামনের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং এই সামনের অগ্রযাত্রাই চলমান থাকবে বাংলাদেশে। যতদিন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এদেশে বিরাজমান ততদিন এই সকল অপশক্তি কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।
ঢাকা-১৪ সংসদীয় আসন গাবতলীতে অবস্থান কর্মসূচিতে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, দেশবিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি-জামায়াত অবরোধের নামে সন্ত্রাসী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তারা রাজপথে নেই, মানুষের সঙ্গে নেই। তারা অন্ধকারে থেকেই মানুষের জানমালের ওপর হামলা করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করেছে। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি হতে পারে না। এতে প্রমাণিত হয় যে বিএনপি একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন, একটি জঙ্গি সংগঠন, একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।