বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক পেশাদারির: ব্রিটিশ আইনজীবী

লেখক:
প্রকাশ: ৯ years ago

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলায় আইনি সহায়তার জন্য নিয়োগ পাওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্যের লর্ড সভার সদস্য ও আইনজীবী লর্ড কার্লাইল। এই আইনজীবীর ভাষ্য, বিএনপির সঙ্গে তাঁর এই সম্পর্ক একান্ত পেশাদারির। এ কাজের জন্য তিনি আনুপাতিক হারে ফি পাবেন।

খালেদা জিয়ার মামলায় আইনি সহায়তা দিতে কার্লাইলকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে কার্লাইলের মতামত জানতে চাওয়া হয়। ই-মেইলে প্রথম আলোর করা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

ব্রিটিশ এই আইনজীবী বলেন, লর্ড সভার সদস্যপদের সঙ্গে তাঁর আইনজীবী হিসেবে কাজের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন পেশাজীবী হিসেবে তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষে পরামর্শ দেবেন।

Manual1 Ad Code

হাউস অব লর্ডসের প্রয়াত সদস্য লর্ড অ্যাভবেরি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানে বিবদমান প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সময়-সময় লন্ডনে সংলাপের আয়োজন করতেন। ২০১৬ সালে লর্ড অ্যাভবেরি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর লর্ড সভার সদস্য হিসেবে কার্লাইল ওই সংলাপ আয়োজনের দায়িত্ব নেন। তাঁর আমন্ত্রণে এ পর্যন্ত লন্ডনে দুই দফা সংলাপের আয়োজন হয়।

Manual6 Ad Code

একটা ‘মধ্যস্থতাকারীর’ ভূমিকায় থাকা অবস্থায় বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব নেওয়া কতটা যৌক্তিক—এমন প্রশ্নের জবাবে কার্লাইল বলেন, ‘ওটা সম্পূর্ণ ভিন্ন দায়িত্ব।’

যদি সম্ভব হয় সংলাপের আয়োজনও চালিয়ে যাবেন বলে জানান কার্লাইল।

Manual5 Ad Code

খালেদা জিয়ার পক্ষে এমন কী ভূমিকা রাখবেন, যা বিএনপি নেত্রীর বাংলাদেশের আইনজীবীরা পারছেন না—এ প্রশ্নে কার্লাইল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের আদালত সরকার থেকে কতটা স্বাধীন এবং ক্ষমতার বিভাজনের বিষয়টি কার্যকর বলে প্রমাণ হওয়া উচিত।’

কার্লাইল নিজেকে আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধ বিষয়ের অভিজ্ঞ আইনজীবী বলে দাবি করেন।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সমালোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কার্লাইল দাবি করেন, একজন সাংসদ ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি ট্রাইব্যুনালের ঘাটতি নিয়ে কথা বলেছিলেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সময় জামায়াতের পক্ষে কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ আছে—এমন প্রশ্নে কার্লাইল বলেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও মানহানিকর। তিনি বাংলাদেশি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে কথা বলেন না।

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে বেশ আগ্রহভরে পড়াশোনা করেছেন জানিয়ে কার্লাইল বলেন, তাঁর বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা আছে। যখন প্রয়োজন হবে, তিনি বাংলাদেশে যাবেন।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code