বিএনপির সাবেক নেতারা আমাদের নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির সাবেক নেতারা স্ব-প্রণোদিত হয়ে নির্বাচনে আসছেন। তাঁরা সব সময় আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

Manual7 Ad Code

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সিদ্ধান্তটাই তাঁদের নেতা-কর্মীরা মেনে নিতে পারেনি। তাঁরা আরও দুটি দলে ভাগ হয়ে গেছে। বিএনপির নেতারাই দলকে ভাগ করেছেন।

সরকার চাপ দিয়ে বিএনপির সাবেক নেতাদের নির্বাচনে আনছে বলে একটা অভিযোগ রয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে চাপের কোনো প্রশ্নই আসে না। এরা স্ব-প্রণোদিত হয়ে নির্বাচনে আসছেন। এরা সব সময় আমাদের নেতাদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন। তাঁরা ইলেকশন করবেন, করতে চান।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের কথা একটাই—নির্বাচন ডিক্লেয়ার হয়ে গেছে, আপনারা দল ভেঙে যে নতুন দল করেছেন সেভাবেও আসুন বা আপনারা যেভাবে আসতে পারেন আসুন। আমাদের তরফ থেকে আপনাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই।’

Manual4 Ad Code

যারা নির্বাচনে অংশ নেবে না তাঁদের সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান করা হবে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনতো আহ্বান জানিয়েই দিয়েছে। নির্বাচন ঘোষণা করে দিয়েছে। আমরাতো একটা দল, আমরাতো তাঁদের আহ্বান করতে পারি না। তাঁরা নিজেরা নির্বাচন কমিশনে যাবেন। তাঁদের যদি কিছু বলার থাকে, নির্বাচন কমিশনে বলবেন।’

সরকারের প্রভাবে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না বলে তাঁদের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন—এ অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রভাব বিস্তার করবে কেন? বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমাদের সরকারের কোনো প্রভাব সেখানে নেই। কেস টু কেস দেখে তাঁরা (বিচারক) জামিন দিচ্ছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এখানে কোনো কিছুতে প্রভাবিত হয়ে বিচারকেরা সিদ্ধান্ত দেননি। আমাদের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নয় এটা।’

Manual4 Ad Code

বিএনপি অভিযোগ করেছে নির্বাচন থেকে তাঁদের দূরে রাখতে মামলা ও সাজা দেওয়া হচ্ছে—এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বিএনপির সিদ্ধান্তটাই তাঁদের নেতা-কর্মীরা মেনে নিতে পারেনি। যার প্রমাণ আমি দেখালাম। তাঁরা আরও দুটি দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে। বিএনপি নেতারাই ভাগ করেছেন।’

Manual1 Ad Code

এভাবে নির্বাচন হলে তা অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে কিনা এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যদি কেউ ইচ্ছা করে না আসে, তাহলে কি কাউকে জোর করে আনা যাবে? যারা মনে করছেন বাংলাদেশ সঠিক পথে যাচ্ছে, বাংলাদেশ যেভাবে চলছে সেই অনুযায়ী একটা নির্বাচন অবশ্যম্ভাবী, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বদল হতে হবে—তাঁরাই নির্বাচনে আসছেন। যারা মনে করছেন জোর করে আসবেন, সন্ত্রাস দিয়ে আসবেন, গাড়ি ভাঙচুর করবেন, জ্বালাও পোড়াও করবেন, মানুষ হত্যা করবেন, তাঁদের কথা আলাদা। তাঁরা আলাদাই রয়ে গেছেন। যারা এগুলো চান না তাঁরা কিন্তু ইতিমধ্যে চলে আসছেন। ছোট দল বড় দল সবই একাকার হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code