

লন্ডন প্রতিনিধি: বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক বাজারগুলোর ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাজ্যে সরকারি বন্ডের দায় বেড়েছে, কমেছে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের দর। ফলে বাজার শান্ত করার চেষ্টায় হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। জাপানে ইয়েনের ক্রমাগত দরপতন ঠেকাতে ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বাজারে (ফোরেক্স মার্কেট) হস্তক্ষেপ করেছে দেশটির সরকার। চীনেও বৈদেশিক মুদ্রার বহিঃপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ফোরেক্স বাণিজ্যে রিজার্ভ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ বসিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সব অশান্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মার্কিন ডলারের লাগামহীন মূল্য এবং বিশ্বব্যাপী সুদের হার বৃদ্ধি। চারপাশে যেদিকেই তাকান, আজ স্বস্তিদায়ক বিষয় খুঁজে পাওয়া যাবে সামান্যই।
বিশ্বের প্রতিটি অর্থনৈতিক বাজারের গঠন ও মেজাজ আলাদা। যুক্তরাজ্যের নতুন সরকার অর্ধ-শতাব্দীর মধ্যে দেশটির সবচেয়ে বড় কর ছাড়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। জাপান বৈশ্বিক প্রবণতার বিপরীতে গিয়ে সুদের হার সম্ভাব্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে। আর চীনা সরকার লড়ছে তাদের ‘জিরো-কোভিড’ নীতির কারণে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পরিণতির বিরুদ্ধে।