

এ সপ্তাহেই বাংলাদেশ বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও দুটি ড্রিমলাইনার। এর মধ্যে একটি আসছে আগামীকাল শনিবার। ২৮ ডিসেম্বর দুটি উড়োজাহাজের যাত্রা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুটি ড্রিমলাইনার দিয়ে লন্ডনের হিথ্রোর পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া ম্যানচেষ্টার রুটে পুনরায় যাবে বিমান। এদিকে সিভিল এভিয়েশন ক্যাটাগরি ওয়ান না হওয়ায় সহসা নিউইয়র্কে ফ্লাইট চালু না হলেও বাড়ানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট।
২০০৮ সালে করা চুক্তি অনুযায়ী গত সেপ্টেম্বরে বিমানকে সর্বশেষ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ বুঝিয়ে দেয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং। এরপর এত কম সময়ে কোনো উড়োজাহাজ পাওয়ার চিন্তা করেনি সংস্থাটি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চীনের হেইনান এয়ারলাইন্স দুটি ড্রিমলাইনার কেনার অর্ডার বাতিল করলে সুযোগ লুফে নেয় বাংলাদেশ। বর্তমানে লন্ডন রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চলে বিমানের। ২৯৮ আসনের দুটি ‘সেভেন এইট সেভেন নাইন’ যোগ হলে ৫ জানুয়ারি থেকে লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সাত দিন যাবে বিমান। সেই সঙ্গে বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট। নতুন বছরে ভারতের চেন্নাই ও চীনের গুয়াংজুর পাশাপাশি ব্যাংকক হয়ে বিমান জাপানে যাবে বলে জানায় সংস্থাটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, জানুয়ারি থেকে ম্যানচেস্টার চালু করা হবে। এছাড়াও সৌদি আরবেও ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীরা বিমানের সময়সূচি ঠিক রাখার পাশাপাশি টিকিটের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে এখনি নিউউয়র্ক ফ্লাইট চালু না হলেও মার্চেই ম্যানেচষ্টার হয়ে টরোন্টো ফ্লাইট চালুর অনুমোদন মিলবে প্রত্যাশা সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যানের।
সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, নিউইয়র্কে ফ্লাইট চালু করার জন্য আমরা কথা বলেছি। আশা করি আগামী ছয় মাসের মধ্যে আমরা সমস্যার সমাধান করতে পারব।
বর্তমানে বহরে থাকা ১৬টি উড়োজাহাজ দিয়ে ১৬টি আন্তর্জাতিক ও সাতটি অভ্যন্তরীণ রুটে যায় বিমান। দুটি ড্রিমলাইনার আসলে উড়োজাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১৮টি। পর্যায়ক্রমে শ্রীলঙ্কার কলম্বো, মালদ্বীপের রাজধানী মালে ও সিডনিহ বেশ কিছু নতুন রুটে পাখা মেলার পরিকল্পনা আছে বিমানের।