বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গতকারী দেশ কানাডা : বার্লিন ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code
কানাডা ডেস্কঃ 
Manual4 Ad Code

বার্লিন ভিত্তিক একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধনী দেশগুলোর মধ্যে কার্বন নির্গতকারীদের মধ্যে কানাডার অবস্থান শীর্ষে। সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে কার্বন নির্গমনের মাত্রা নির্ধারণের মাধ্যমে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিশ্বের অবস্থান নির্ণয়ে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। হট অর কুল ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রতিবেদনের নাম দেয়। ‘১.৫ডিগ্রি লাইফস্টাইল : টুয়ার্ডস অ্যা ফেয়ার স্পেস ফর অল’। এতে যে দশটি দেশের জনগণের কার্বন নির্গতের হিসাব করা হয় সেগুলো হলো : কানাডা, ফিনল্যান্ড, ব্রিটেন, জাপান, চীন, তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া এই ১০ টি দেশের মধ্যে জনপ্রতি কার্বন নির্গতকারী দেশ হিসেবে কানাডার অবস্থান শীর্ষে। তবে অন্য দুই প্রধান কার্বণ নির্গতকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াকে এই প্রতিবেদনের হিসেবে রাখা হয়নি। প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী পরিবেশবিদরা বলেছেন, ওই ১০ দেশের জন প্রতি কার্বন নির্গমনের হিসাবে দেখা গেছে কানাডার জনগণ অন্যদের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে। জনগণের খাদ্য অভ্যাস, বাসস্থান এবং পরিবহনসহ জীবনযাত্রার বিভিন্ন উপাদানকে এই কার্বন নির্গমনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিকমাত্রায় এই কার্বন নির্গমনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলাসহ বিভিন্ন কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। এতে অনেক দেশে স্থায়ী বন্যার শঙ্কা দেখা দিচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৯ সালে কানাডায় জনপ্রতি গড় কার্বন নির্গমণের পরিমাণ ছিল ১৪.২ টন। অন্যদিকে ফিনল্যান্ডে এই হিসাব ছিল ৯.৭ টন এবং ব্রিটেনে ৮.৫ টন। হট অর কুল ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুইস একেনজি বলেন, কানাডিয়ানরা শুধু তাদের আবহাওয়াকেই দূষিত করছে না, তারা বিলাসী জীবনযাপনের মাধ্যমে বিশ্বের জলবায়ুকেই প্রবাহিত করছে। সামান্য সচেতনতার মাধ্যমে এই দূষণের মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে কানাডাকে জনপ্রতি কার্বন নির্গমনের হার আগামী দশকে ৮২ শতাংশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ হ্রাস করতে হবে। এজন্য সরকারকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্র বাদ দিয়ে জীবাশ্ম জ্বালানির দিকে নজর দিতে হবে। জনগণকে পেট্রোল ডিজেল চালিত গাড়ি বাদ দিয়ে বৈদ্যতিক গাড়ি ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র : সিবিসি

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code