

ডেস্ক নিউজ, ঢাকা: কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বরাবরই হতাশাজনক। বিশেষ করে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে দল হিসেবে এই ফরম্যাট নিজেদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারছে না। বিশ্বকাপে টানা ৫ ম্যাচ হারের পর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচ জয় বাদে সাম্প্রতিক সময়ে নেই কোনও সাফল্য। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর বাকি দুই ম্যাচে বাংলাদেশ বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। টানা ব্যর্থতায় মাহমুদউল্লাহর দশাও হয়েছে সমুদ্রের দিশাহীন নাবিকের মতো। তাই প্রশ্ন উঠছে- দক্ষ নাবিক হয়েও দলকে দিশা দেখাতে পারছেন কোথায়? ফলে ব্যর্থতার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই মাহমুদউল্লাহর। লম্বা সময় ধরে অফফর্মে থাকা মাহমুদউল্লাহ নিজেও সাফল্য পাচ্ছেন না।
উজ্জ্বীবিত করতে পারছেন না সতীর্থদের। ক্রীড়াঙ্গনে একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে- ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। অর্থাৎ ধারাবাহিক সাফল্য এনে দিতে অধিনায়কের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া জরুরি। অন্য স্পোর্টসে কথাটা সেভাবে কার্যকরী না হলেও ক্রিকেটে সেটি অনেক বেশি কার্যকর। একজন অধিনায়ক নেতৃত্বগুণ দিয়ে দলকে যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন, ঠিক ততটাই বোধহয় তার পারফরম্যান্স দিয়ে। ঠিক এই জায়গাতেই গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে পুরোপুরি ব্যর্থ মাহমুদউল্লাহ। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের আগে সাফল্য পেতে এই প্রশ্নবিদ্ধ ‘নেতৃত্ব’ অবশ্যই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।