

ডেস্ক রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। গত মাসে মোদির আমেরিকা সফরে খালি হাতেই ফিরতে হয় ভারতকে। হিন্দিতে বহুল প্রচলিত প্রবাদ ‘লেনেকে দেনে পারে’ কথার মতই যেনো নিতে গিয়ে উল্টো দিয়ে আসতে হয় মোদিকে। এর ওপর এবার নতুন করে ভারতকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি ট্রাম্প একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে কিন্তু সমস্যা একটাই। আর সেটি হলো, ভারত বিশ্বের সর্বোচ্চ শুল্ক আদায়কারী দেশগুলোর মধ্যে একটি।’ যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সমস্যা বলে এসময় সতর্কবার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, তারা সম্ভবত এই শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমাবে। তবে ২ এপ্রিল থেকে আমরা তাদের ওপর সেই একই শুল্ক আরোপ করবো, যা তারা আমাদের পণ্য থেকে আদায় করে থাকে।’
এসময় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি গাড়িতে ভারতের আদায় করা ১০০ শতাংশ করের সমালোচনা করে বলেন, ‘ভারত আমাদের গাড়িতে ১০০ শতাংশের বেশি শুল্ক আদায় করে, যা খুবই অন্যায্য।’ভারতের কসইখ্যাত নরেন্দ্র মোদির সাথে ট্রাম্পের বর্তমান সমস্যা এই একটা জায়গায়। ভারতে পণ্য রপ্তানি করতে গেলেই বিশ্বের সব দেশকেই দিতে হয় উচ্চ শুল্ক। তাই বলে আমেরিকার সাথেও একি চালবাজি? ট্রাম্পের মাস্টারপ্ল্যানের কাছে অবশেষে ধরা খেয়েছে মোদি সরকার। এবার আমেরিকাতেও যে কোন পণ্য রপ্তনিতে ভারতকেও গুনতে হবে প্রায় ৩০ শতাংশ আমদানি কর। যা কার্যকর হতে যাচ্ছে ২ এপ্রিল থেকে।
আর ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে ভারত যদি তাদের দেশে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি করা পণ্যের কর না কমায় তাহলে এরপর আরও বড় পদক্ষেপ নিতেও দ্বিধা করবে না ট্রাম্প প্রসাশন। ভারত যদি শুল্ক কমানোর দিকে না যায়, তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন কি করবেন নরেন্দ্র মোদি, সেটিই দেখার বিষয়।