ভারতের খোলা বাজারে ২৭৫ রুপিতে বিক্রি হতে পারে করোনার টিকা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে শুরু থেকেই নানা জটিলতার মুখোমুখি ভারত। ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য মানুষ ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পাশাপাশি নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি নিরসনে খোলা বাজারে ভ্যাকসিন বিক্রির কথা ভাবছে দেশটির সরকার। ভারতের বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

Manual4 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মিলছে করোনা ভ্যাকসিন। তবে ভারতীয় সরকার খোলা বাজারেও বিক্রি করতে চায় কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের ডোজ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল (ডিসিজিআই) খোলা বাজারে ভ্যাকসিন বিক্রির ছাড়পত্র দিয়েছে বলে সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। খবর অনুযায়ী এই দুই টিকার দামও সরকার বেঁধে দিয়েছে ডিসিজিআই। সর্বোচ্চ দাম ২৭৫ রুপি। তার সঙ্গে যুক্ত হবে ১৫০ রুপি সার্ভিস চার্জ।

Manual6 Ad Code

তবে খোলা বাজারে বিক্রি করতে হলে ডিসিজিআই’র শর্ত মানতে হবে। যা হলো, সেরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেককে তাদের টিকাসংক্রান্ত সব ধরনের চলমান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য সরবরাহ করবে। টিকাদানের পরে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে কি না, সে দিকেও দুই সংস্থাকে নজর রাখতে হবে।

Manual7 Ad Code

খোলা বাজারে বিক্রির অনুমোদন পাওয়ার জন্য গত বছরের ২৫ অক্টোবর ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে আবেদন করেছিলেন সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এসআইআই) অধিকর্তা প্রকাশ কুমার সিং। এরপর সপ্তাহ দুয়েক আগে ভারত বায়োটেকের পূর্ণ সময়ের অধিকর্তা ভি কৃষ্ণা মোহন এ বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জমা দেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে খোলা বাজারে বিক্রির জন্য আবেদন চাওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে এবং কয়েকটি শর্ত মেনে দেশের প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিক্রি করা যাবে করোনার ভ্যাকসিন।’

তিনি জানান, সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) এ সংক্রান্ত নিয়ম সংশোধন করছে। তবে শুধুমাত্র ভারতে তৈরি কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনকেই এ ক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়েছে ডিজিসিআই। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, খোলা বাজরে বিক্রি করার জন্য এই দুটি ভ্যাকসিনের দামও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকটি প্রক্রিয়া শেষে শর্তসাপেক্ষে মিলবে এই ভ্যাকসিন।

যদিও, বর্তমানে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের প্রতিটি ডোজের দাম বেসরকারি ক্ষেত্রে পড়ছে ১ হাজার ২০০ টাকা। যেখানে কোভিশিল্ডের প্রতিটি ডোজের সর্বোচ্চ মূল্য ৭৮০ টাকা। ভারতে এই দুটি ভ্যাকসিন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। কোভিশিল্ড দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের। কোভ্যাক্সিন প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে অনুমোদন পেয়েছে ১২ থেকে ১৮ বয়সীদের মধ্যেও। ডিসিজিআই’র নতুন সিদ্ধান্তে ভ্যাকসিনের দামে পরিবর্তন আসতে পারে এমনটিই মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code