ভাস্কর্য স্পর্শ করলে খুলে যেতে পারে ভাগ্য

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: লোকে বলে, ভাগ্য সবসময় সাহসীদের পক্ষে থাকে। তবে জনশ্রুতি আছে, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন মূর্তি ও ভাস্কর্য স্পর্শ করলে যে কারও ভাগ্যের চাকা ঘুরে যেতে পারে! এগুলো নিয়ে তিন পর্বের আয়োজন। আজ প্রথম কিস্তি।

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের সিচেনি চেইন ব্রিজের কাছে ট্রামলাইন পথ ঘেঁষা রেলিংয়ের ওপর বসে আছে ছোট্ট রাজকুমারি! এটি ভাস্কর লাজলো মার্তনের সৃষ্টি। রাজকন্যার পোশাকের প্রতি ভালো লাগা ছিল তার মেয়ের। তাই ভাস্কর্যটি তৈরিতে অনুপ্রাণিত হন তিনি। তার গায়ে হাতাহীন পোশাক, মাথায় সংবাদপত্রের মুকুট। নব্বই দশকে মূর্তিটি স্থাপন করা হয়। তখন থেকেই সৌভাগ্যের জন্য এই ভাস্কর্যের হাঁটু স্পর্শ করা পথচারীদের ঐতিহ্য।

Manual7 Ad Code

স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভার পুরনো শহরের লরিন্সকা ও পান্সকা সড়কের মোড়ে তাকালে মনে হবে যেন ম্যানহোলের ভেতর থেকে উঠে আসছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী কুমিল! তার মুখখানা বেশ হাসিখুশি। ১৯৯৭ সালে পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে মূর্তিটি ফুটপাতে স্থাপন করা হয়। কিন্তু স্থানীয়রা এর বিপক্ষে ছিলেন। কারণ মূর্তির মাধ্যমে নাকি মনে হবে, কাজ ফেলে মেয়েদের স্কার্টে তাকিয়ে আছে কুমিল! স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী, কুমিলের টুপির ওপরিভাগ স্পর্শ করে মানুষ যা আশা করে তা সত্যি হয়!

Manual8 Ad Code

ইতালির ফ্লোরেন্স শহরের মেরকাতো দেল পোরচেল্লিনো মার্কেটের বাইরে দেখা যায় বাচ্চা শূকরের সাজানো ভাস্কর্যটি। পোন্তে ভেইও (ওল্ড ব্রিজ) থেকে দুই মিনিটের হাঁটাপথ। ‘ইল পোরচেল্লিনো’র ইংরেজি অর্থ ‘পিগলেট’। অনেকে ইচ্ছাপূরণের আশা নিয়ে ভাস্কর্যের মুখে কয়েন ঢুকিয়ে এরপর তার পেট থেকে সংগ্রহ করেন। তবে বুনো শূকরটির নাক না ঘষে দিলে কিন্তু আনুষ্ঠানিকতা অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে!

ইউক্রেনের লভিভ শহরে রয়েছে চুঙ্গি থেকে কালি পরিষ্কারের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মীর মূর্তি। এর দেখা পেতে প্রথমে দ্য হাউস অব লেজেন্ডস ক্যাফের ছাদে উঠতে হয়। তারপর একটি সর্পিল সিঁড়ি বেয়ে ইচ্ছাপূরণের জন্য মূর্তিটির টুপিতে মুদ্রা ছোড়ার চেষ্টা চলে। বেশিরভাগ মানুষ তাতে ব্যর্থ হয়। এ কারণে নিচে পথচারীদের মাঝে মধ্যে ইউক্রেনের মুদ্রা হারিভনিয়ার ঝড়ের কবলে পড়তে হয়!

Manual4 Ad Code

ইউক্রেনের লভিভ ওল্ড টাউনের সার্বস্কা স্ট্রিটের ম্যাসক ককটেল বারের বাইরে অবস্থিত এই মূর্তি। এটি অস্ট্রিয়ান কথাশিল্পী লিওপোল্ড ভন স্যাকার-ম্যাসকের। তিনি ছিলেন এসঅ্যান্ডএম (স্যাডিজম ও ম্যাসোকিজম) আন্দোলনের পথিকৃৎ। দর্শনার্থীরা সৌভাগ্যের আশায় মূর্তির পকেটে হাত ঢুকিয়ে থাকে। পকেট কিন্তু খালি নয়, তাতে ব্যক্তিগত অংশের অস্তিত্ব বোঝা যাবে! ইচ্ছে ঠিক করার পর বেশিরভাগ দর্শনার্থী এসঅ্যান্ডএম-থিমযুক্ত ম্যাসক বারে ঢোকেন। দুশ্চিন্তার কিছু নেই, এসঅ্যান্ডএম অংশটি পর্যটকদের বিনোদন দেওয়ার চমক মাত্র।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code