

বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) সিলেটের কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ উপকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে ৩১ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎহীন থাকার পর অবশেষে সিলেট নগরীর কিছু এলাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। বুধবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে নগরী ও শহরতলির কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ চলে আসে।
পিডিবি’র ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরেফিন জানান, বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ডিভিশন ১ ও ২ আওতাধীন নগরীর কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও সকল স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি। এ লক্ষ্যে কাজ চলছে।
এদিকে- নগরীর আম্বরখানা, সোবহানীঘাট ও নাইওরপুল এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা এ প্রতিবেদককে বিদ্যুৎ আসার কথাটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার বিকেলে সিলেট মহানগরী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য ‘টেস্ট রান’র প্রস্তুতি নেয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় কুমারগাঁও গ্রিড সাব স্টেশনের বাস বার মেরামত সম্পন্ন হয়েছে। ৫টার আগে ‘টেস্ট রান’ করা হয় এবং এটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
অপরদিকে বুধবার বেলা ২টার দিকে গাজীপুর থেকে পাওয়ার ট্রান্সফরমার এসে সিলেটে পৌঁছায়। নতুন পাওয়ার ট্রান্সফরমার বসানোর পর পুরো সিলেট মহানগরী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতে পারে বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
অপরদিকে, দুটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার-এর জায়গায় একটি দিয়ে আপাতত বিদ্যুৎ চালু করার চেষ্টা করছে পিডিবি। ফলে আপাতত: কম লোড ভাগ করে বিভিন্ন ফিডারে দেয়া হবে। তাই বিদ্যুৎ আসার সঙ্গে সঙ্গে সবাই একসঙ্গে ফ্রিজ, মটরসহ ভারি ইলেকট্রনিক সামগ্রী চালু না করার আহবান জানিয়েছেন পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন।
তা না হলে ওভার হিটেড হয়ে ফের বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।