মধ্যপ্রাচ্যে যেতে চাওয়া বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দুর্নীতি, ফেরত পাঠানো হচ্ছে দেশে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

কাজের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশিদের যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, তাতে দুর্নীতি হচ্ছে। এর ফলে বিদেশে পৌঁছার পর যখন তাঁদের আবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, তখন তাঁরা উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। স্বাস্থ্যগত কারণে অযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার ( ০৭ আগস্ট ) এক সংবাদ সম্মেলনে গালফ হেলথ কাউন্সিল অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের মালিকেরা এমনই অভিযোগ তুলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেডিকেল সেন্টার মালিকদের সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে বাংলাদেশিরা যান, তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি বোর্ড আছে, যা গালফ হেলথ কাউন্সিল নামে পরিচিত। এর মধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন উল্লেখযোগ্য। কাউন্সিলের কাজ হলো, উপসাগরীয় দেশগুলো যেসব দেশ থেকে জনশক্তি আমদানি করে, সেসব দেশের যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গালফ হেলথ কাউন্সিলের সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা তাঁদের নির্দেশমালা অনুসারে সরাসরি এসে পরিদর্শন করে উপযুক্ত মেডিকেল সেন্টার অনুমোদন দিয়ে থাকেন। তাঁদের একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, গালফ হেলথ কাউন্সিল বিভিন্ন সময়ে ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন শহরে যেমন সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল, শেরপুর ও চাঁদপুরে নতুন মেডিকেল সেন্টারের অনুমোদন দেয়, যার সংখ্যা এখন প্রায় ২৬০। মেডিকেল সেন্টারগুলোকে পুঁজি করে এখন একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী চক্র ভিন্ন উপায়ে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে অবৈধ পন্থা খুঁজে বের করেছে। এই চক্র এতটাই বেপরোয়া যে, কোনো কিছুই তাদের কাছে অনৈতিক মনে হয় না। তারা গালফ হেলথ সেন্টারের সফটওয়্যারকে ম্যানুপুলেট করে নিজের পছন্দের সেন্টারে স্লিপ তুলে অন্যদের বঞ্চিত করছে।

মেজবাহ উদ্দিন সাঈদের অভিযোগ করে বলেন, ঢাকার ভেতরে অনুমোদনবিহীন মেডিকেল সেন্টার স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে প্রতারণার মাধ্যমে নির্ধারিত ফির তিন-চার গুণ অর্থ সংগ্রহ করছে এবং ঢাকার বাইরের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য সার্টিফিকেট ইস্যু করছে, যা গালফ হেলথ কাউন্সিল নীতিমালা ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী। এদের মধ্যে কেউ কেউ শুধু অর্থের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করেও স্বাস্থ্য সার্টিফিকেট দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া প্রবাসে গিয়ে যখন পুনরায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, তখন অনেকে স্বাস্থ্যগত কারণে অযোগ্য হয়ে দেশে ফিরে আসছেন। এ ধরনের কাজের জন্য বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Manual2 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আল রিয়াদ মেডিকেল সেন্টারের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম, লিডিং হেলথ চেকআপের স্বত্বাধিকারী শফিউল আলম, মুন মেডিকেল সেন্টার মেসবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

Manual3 Ad Code

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code