

মঙ্গলবার বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের শেষ সভা শেষে পাপন বলেন, এটা ভালো লক্ষণ নয়, এটা আপনাদের বলতে পারি। কারও জন্য কিছু আটকে থাকে না। আমাদের একটা পাইপলাইন থাকা উচিত, যারা নতুন নতুন দায়িত্ব নেবে। এটার জন্য আমি চাচ্ছি, নেতৃত্ব গড়ে ওঠা উচিত।
বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, বাংলাদেশে নেতৃত্বের অভাব নেই। কিন্তু কোনো কারণে কেউ আসতে চায় না। পরিচালক হতে সবাই চায়। এমন কেউ নেই যে, পরিচালক হতে চায় না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদের কথা বললে কেউ নাম বলে না। কেন বলে না, আমি জানি না।
নাজমুল হাসান পাপন এমপি বলেন, এবার উন্মুক্ত রাখতে চাই। আমি চেষ্টা করব, জানি না সফল হব কিনা। আমি পূর্ণ সমর্থন দেব, যে-ই আসুক। আমাদের কমিটিতে এতদিন যারা ছিল, আমরা যদি হেরেও যাই, নতুন যে আসুক, পূর্ণ সমর্থন দেব। যখন যা বলবে, আমি করতে রাজি আছি।
আগামী মাসেই বিসিবির নির্বাচন। শুরুতে কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত করা হয় বিসিবি পরিচালকদের। এরপর পরিচালকদের ভোটে নির্বাচন করা হয় সভাপতি। ২০১২ সালে সরকারের মনোনয়নে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৩ ও ২০১৭ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন পাপন। নাটকীয় কিছু না হলে টানা তৃতীয় মেয়াদে বিসিবি সভাপতি হচ্ছেন পাপন।