মরণ ফাঁদের পানছড়ি-শনটিলা সড়ক

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) ঃ
পানছড়ি-শনটিলা সড়কটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে চরম দূভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণের। দেখার যেন কেউ নেই। এজন্য জন মনে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ ও হতাশা।
অনুসন্ধানে জানাযায়, ২০০৩সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ইট সলিং হওয়ার পর অদ্যবধি পর্যন্ত কোন সংস্কার কাজ হয়নি। সড়কের কিছু কিছু অংশে ইটের অস্তিত্ব পর্যন্ত নাই, বক্র কালভার্ট গুলো আধাভাঙ্গা অথচ প্রতি দিন শতশত মানুষ এই পথটি দিয়ে পায়ে হেটে এবং যন্ত্র চালিত গাড়ি দিয়ে জিবণের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। মূল সড়কের প্রায় জায়গায় সলিং ইট উঠে রাস্তা দেবে গেছে প্রায় দুই/তিন ফুট। মোটর সাইকেল, টমটম আর সিএনজি কোন রকম চললেও নিত্য ঘটে দূর্ঘটনা। অপর দিকে সড়কটি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে করার কারণে কোন সংস্থা/প্রতিষ্টান এই সড়কটির কাজও করতে না পারার কারণে দূর্ভোগ আরো বেড়েছে। তবে এলজিইডি ভুক্ত রাস্তার কাজের কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। অপর দিকে কালানাল মসজিদ থেকে হাসপাতাল সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে, যে কোন সময় কার্পেটিং এর দরপ্রত্র আহবান করা হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এই সড়ক দিয়ে করল্যাছড়ি, হলধরপাড়া, তাপিতাপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের লোকের চলাচল। তাছাড়া আশ-পাশ এলাকায় কোন বিদ্যালয় ও কলেজ না থাকার ফলে এলাকার ছাত্র/ছাত্রীরা পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও পানছড়ি সরকারী ডিগ্রী কলেজে পড়া-লেখা করছে। শনটিলা ও তার আশ-পাশ এলাকাগুলো পানছড়ির শস্য ভান্ডার হিসেবে রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। এ সড়কে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যাদি ও মৌসুমি ফল-ফলাদি বাজারজাত করাটা খুবই কষ্টকর। তাই চাষীরাও চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। মুমুর্ষ বা গর্ভবতী কোন রোগী নিয়ে এই সড়ক দিয়ে আসছে জিবণের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবার জন্য আসছে। দূর্ঘটার সম্মুখিন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই বর্তমানে সড়কটি মরণ-ফাঁদের সড়ক নামেই পথচারীদের নিকট পরিচিত।
ইউনিয়ন পরিষদে বড় বাজেট থাকলে অবশ্যই কাজটা অনেক পূর্বে করা হতো উল্লেখ করে ৩নং পানছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাজির হোসেন বলেন, ইউপির প্রস্তাবনায় ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপণা অধিদফতরের মাধ্যমে শনটিলা গ্রামের এক কিলো রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। কালানাল মসজিদ থেকে হাসপাতাল সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে, যে কোন সময় কার্পেটিং এর দরপ্রত্র আহবান করা হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য থেকে একটি ডিও লেটার নিয়ে চীপ স্যারের কাছে গেলে আশা করি কাজ হয়ে যাবে উল্লেখ করে পানছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী অরুণ কুমার দাশ বলেন, ইতি মধ্যে সংস্কারের কিছু কাজ করা হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code