

ডেস্ক নিউজ: মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর কাছে অগণিত নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। এদের অনেকের কাছেই তিনি আসমানি কেতাব পাঠিয়েছেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর তিনি নাজিল করেছেন কোরআনুল কারিম। আল্লাহর এই কেতাব কেয়ামত পর্যন্ত মানবজাতির হেদায়েতের জন্য প্রেরিত সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। মানব সভ্যতায় কোরআনের অবদান অনস্বীকার্য।
পবিত্র কোরআন আল্লাহর কালাম; যাতে রয়েছে মানবজাতির জন্য হেদায়েত তথা পথনির্দেশনা। নগদ ইসলামিক অ্যাপে রয়েছে অর্থসহ পবিত্র কোরআন পড়া ও শোনার ব্যবস্থা। একজন নগদ ইসলামিক গ্রাহক অ্যাপে লগইন করে ‘পবিত্র কোরআন’ ফিচারটি ব্যবহার করে নিয়মিত পবিত্র কোরআনের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন।
শিক্ষা ছাড়া উন্নত নীতি-নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ সুনাগরিক আশা করা যায় না। কোরআন জ্ঞান আহরণ ও শিক্ষা অর্জনের উপর সর্বপ্রথম ও সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। একজন নবী এবং একটি জাতির কাছে আল্লাহর প্রেরিত কোরআনের প্রথম প্রত্যাদেশই ছিল ‘পড় তোমার প্রভুর নামে’। (সুরা আলাক, আয়াত : ১)।
কোরআনের শিক্ষা ধারণ করে নবী মুহাম্মাদুর রাসুল্লাহ (সা.) মাত্র ২৩ বছরের মধ্যে একটি নিরেট নিরক্ষর জাতিকে সাক্ষরতাসম্পন্ন জাতিতে রূপান্তর করেন। কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি তাঁর অনুসারীদের জ্ঞান চর্চা, বিদ্যা অর্জন ও গবেষণায় এতটাই উৎসাহিত করেছেন যে, তার অনুসারীরা সুদীর্ঘ সহস্রাধিক বছরকাল জ্ঞান-বিজ্ঞানে গোটা বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছে। পৃথিবীর কোনও ধর্মগ্রন্থ বা মতবাদের বইয়ে এমন সার্বজনীন শিক্ষার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিবৃত হয়নি।