

যুক্তরাষ্ট্র অফিস: চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিং বলছে, উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টার পর এই মন্তব্য অযৌক্তিক ও একটি উসকানি। বুধবার (২১ জুন) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরের একদিন পর শিকে স্বৈরশাসক উল্লেখ করে মন্তব্য করেন বাইডেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে বাইডেন বলেছেন, এই বছরের শুরুতে মার্কিন আকাশসীমায় সন্দেহভাজন চীনা গোয়েন্দা বেলুন ভূপাতিত করার ঘটনায় শি জিনপিং খুব বিব্রত। তার বিব্রত হওয়ার কারণ হলো যখন গোয়েন্দা সরঞ্জামে ভর্তি দুটি বক্সসহ বেলুন ভূপাতিত করি তখন তিনি জানতেন না এটি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় রয়েছে। এটি স্বৈরাশাসকদের জন্য খুব বিব্রতকর। কী ঘটেছে তিনি জানতেন না। এটির যুক্তরাষ্ট্রে আসার কথা না। অবশ্যই তা ভূপাতিত করা হয়েছে।
যদিও সোমবার ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, এই অধ্যায় বন্ধ হওয়া উচিত।
অক্টোবরে কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এবং মার্চে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট হয়ে মাও সে তুংয়ের পর সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতায় পরিণত হয়েছেন শি জিনপিং। তিনি এক দলীয় সরকার ব্যবস্থার প্রধান। বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী, পশ্চিমা নেতা ও শিক্ষাবিদরা এই ব্যবস্থাকে স্বৈরশাসন বলে থাকেন। কারণ এই ব্যবস্থায় স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, মুক্ত সংবাদমাধ্যম বা সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই। শি ও কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচকদের অনলাইনে সেন্সর করা হয় এবং তাদের আটক করা ঝুঁকি থাকে।