মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে গুম অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

Manual6 Ad Code

জাতীয়  ডেস্ক: 

মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার বিষয়ে গুমসংক্রান্ত কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ব্লাস্ট, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অন্যান্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে প্রাপ্ত মতামত বিবেচনায় নিয়ে এবং আইন ও বিচার বিভাগের মতবিনিময় সভা থেকে খসড়াটি পরিমার্জন করা হয়।

প্রেস সচিব জানান, এ বিষয়ে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের মতামত ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস বা ব্লাস্ট ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অন্যান্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মতামত; আইন মন্ত্রণালয় আয়োজিত দুটি মতবিনিময় সভা থেকে পাওয়া পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে খসড়াটি পরিমার্জন করা হয়।

Manual5 Ad Code

খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে সজ্ঞায়ন ও শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুমসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষাসংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে বলা হয়েছে খসড়ায়। ভুক্তভোগী, তথ্য প্রচারকারী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা ও ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতেও বিধান রাখা হয়েছে বলে প্রেস সচিব জানান প্রেস সচিব আরও বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চিলাহাটি স্থলবন্দর, দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর, তেগামুখ স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ স্থলবন্দরগুলোতে কোনো কাজ হচ্ছে না। আরও চারটি আছে, পরে এসব নিয়ে আলোচনা হবে। বন্ধঘোষিত তিনটি স্থলবন্দরের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, সীমান্ত এলাকায় অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় এ স্থলবন্দরগুলোর অনুমোদন নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কাজও হয়েছিল। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ওই পাড়ে সে রকম কোনো অবকাঠামো তৈরি হয়নি। সেখান দিয়ে ন্যূনতম কোনো বাণিজ্য হয় না। সে কারণে এখানে একটি অবকাঠামো রাখা সরকারের জন্য অতিরিক্ত একটা খরচের বোঝা তৈরি হয়।

Manual2 Ad Code

ব্রিফিংয়ে উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার বলেন, গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে বিনিয়োগসংক্রান্ত সমন্বয় কমিটির পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিডা জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে মোট ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে, ৪৬৫ মিলিয়ন ডলার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এবং অবশিষ্ট ৮৫ মিলিয়ন ডলার যৌথ উদ্যোগে প্রস্তাবিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

আজাদ মজুমদার আরও বলেন, এ প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ২৩১ মিলিয়ন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে অর্থাৎ ১৮ শতাংশ বিনিয়োগ আকারে কনভারশন হচ্ছে। এর মধ্যে যে বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলো এসেছে, সেসবের বৈশ্বিক হার এখানে পর্যালোচনা করা হয়েছে। বৈশ্বিক হার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, বিনিয়োগের যে কনভারশন রেট, এ ছয় মাস সময়ের মধ্যে এটা বৈশ্বিকভাবে হচ্ছে আসলে ১৫–২০ শতাংশ।

ডেস্ক: এস

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code