

ডেস্ক রিপোর্ট:পুরো টুর্নামেন্টে আট গোল,চার এসিস্ট।আর্জেন্টিনাকে অনেকটা একাই নিয়ে এসেছিলেন ফাইনালে। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বানাতে না পারলেও গোল্ডেন বলের সবচেয়ে বড় দাবিদার মনে হচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। তবে মেসি নয়, মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার উঠেছে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির।পরিসংখ্যানভিত্তিক ফুটবল বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান হুস্কোরড-এর রেটিংয়ে পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৮.৮২ গড় রেটিং নিয়ে শীর্ষে ছিলেন মেসি। অন্যদিকে রদ্রি ছিলেন ৭.৩০ রেটিং নিয়ে ৩২তম স্থানে।
ম্যান অব দ্য ম্যাচের হিসাবেও এগিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। হুস্কোরড-এর হিসাবে মেসি ছয়বার ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন, যেখানে রদ্রি একবাqরও হননি। ফিফার অফিসিয়াল ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারেও মেসি পাঁচবার জেতেন, আর রদ্রির ঝুলিতে ছিল একটি।ফিফার পাওয়ার র্যাঙ্কিংয়েও আক্রমণেও মেসির আধিপত্য স্পষ্ট। আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্সে ৮.২৮ স্কোর নিয়ে তিনি তৃতীয় স্থানে এবং সৃজনশীলতায় ৮.২১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। একই দুই বিভাগে রদ্রি যথাক্রমে ৪.৩৫ স্কোর নিয়ে ২৩৩তম এবং ৫.৯২ স্কোর নিয়ে ৮০তম স্থানে ছিলেন।
তবে রক্ষণাত্মক পারফরম্যান্সে চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই বিভাগে ৮.০৬ স্কোর নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা ছিলেন রদ্রি, যেখানে মেসি ৪.৮৭ স্কোর নিয়ে ২৩৮তম স্থানে অবস্থান করেন।ফলে গোল্ডেন বল নিয়ে বিতর্কে দুই পক্ষই নিজেদের যুক্তি তুলে ধরছে। একদল মনে করছে, পুরো টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, রেটিং এবং ম্যাচে প্রভাবের দিক থেকে মেসিই এগিয়ে ছিলেন।অন্যদিকে রদ্রির সমর্থকদের মতে, স্পেনের শিরোপা জয়ে তার অলরাউন্ড অবদান, বিশেষ করে রক্ষণ ও মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ ভূমিকা, তাকে গোল্ডেন বলের যোগ্য বিজয়ী করেছে।