

ডেস্ক রিপোর্ট, ইউএসঃ করোনার এই কঠিন সময়ে মধ্যভিত্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে সামাজিক সংঘঠন সেইভ দি পিপুল ও গ্রীন লীফ ক্লাব।লোক চক্ষুর আড়ালে রাতের আধারে তারা চাল,ডাল,তেল,আলু,লবণ পুর্ণ উপহারের ব্যাগ পৌঁছে যাচ্ছে মধ্যভিত্তদের ঘরে।
যারা হাত পাততে পারেন না লোকলজ্জার ভয়ে সরকারী ত্রাণ নিতে ও আসতে পারেন না তাদের তালিকা তৈরী করে রাতের আধারে তাদের ঘরে ঘরে উপহার এর ব্যাগ নিয়ে ছুটে চলেছেন কিছু সেচ্ছাসেবীরা।
১ম ধাপে ২০০ মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এই উপহার এর ব্যাগ দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৫০ জন এর লিস্ট ইতিমধ্যে করা হয়েছে ১০ই রমাদান এর পর তা ও পৌঁছে দেওয়া হবে।
মহতী এই উদ্দ্যোগের মূল উদ্দ্যোক্তা ক্রিকেট কোচ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের স্কোরার রেজওয়ান মজুমদার রুমান জানান আমরা দীর্ঘদিন থেকেই কিছু কিছু সামাজিক কাজ করে যাচ্ছি তবে অন্যদের থেকে আমাদের কাজের ধরন একটু ভিন্ন।
আমরা মূলত ঈদে গ্রামের মধ্যভিত্তদের তালিকা তৈরী করি যারা শহর থেকে অনেক দূরে সবার চাহিদা পুরণ করে নিজের জন্য নতুন পোষাক কিনতে পারেন না তাদের খোঁজে তাদের হাতে ঈদের উপহার তুলে দেই কিছু কিছু অসহায় পরিবারের জন্য ডেউটিন,কিছু দ্ররিদ্র ছাত্রদের বই কিনতে কারও চিকিৎসায় সহায়তা করার চেস্টা করি।
বিগত বন্যায় আমরা সাধ্যমতো ত্রান সামগ্রী প্রদানের চেস্টা করি।
রাজনগরের ফতেপুর ইউনিয়নে আমরা ৫ কেজি করে প্রায় ৩০০ প্যাকেট চাল বিতরন করি।গত বন্যায় হাজীপুর ইউনিয়নের ভূইগাঁও গ্রামে আমরাচাল,ডাল,তেল,পেয়াজ,লবণ,আলু,হলুদ,মরিচ,সাবান প্রায় ৩৫০ প্যাকেট বিতরন করি।২৫০ জনকে ঔষধ বিতরন করি।
এবারের এই উপহার দেওয়ার পূর্বে আমরা প্রত্যেক এলাকা হতে কিছু তালিকা তৈরী করি এই তালিকা আবার কয়েকজনকে দিয়ে তৈরী করাই যাতে প্রকৃত মধ্যভিত্ত/নিম্ম মধ্যভিত্ত যার একান্তই প্রয়োজন তার হাতে যেন আমাদের উপহার পৌছাতে পারি।শুরুতে ৫০ জন এর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বড় ভাই একাই আরও ৫০ জনের জন্য টাকা পাঠিয়ে দেন এর পর আরও অনেকেই সেচ্ছায় শরীক হন মহতী এই কাজে।
গত ১২ বছর ধরে আমাদের কাজে সবসময় সাহায্য করে যাচ্ছেন আমার পরিবারের সদস্য ও প্রবাসী আত্নীয়রা।