যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হলো ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।সরকারকে ঢেলে সাজানো এবং প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব সম্প্রসারণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ শুরুর পর থেকে একদিনের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বৃহত্তম বিক্ষোভে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

Manual8 Ad Code

মেঘলা আকাশ এবং হালকা বৃষ্টির মধ্যেও ওয়াশিংটনে স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশের ঘাসের বিস্তৃত অংশে লোকজনকে জড়ো হতে দেখা গেছে। আয়োজকরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ন্যাশনাল মলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, প্রায় ১৫০টি কর্মী গোষ্ঠী অংশগ্রহণের জন্য সাইন আপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্যেই এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া কানাডা এবং মেক্সিকোতেও ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে। ওয়াশিংটনের স্মৃতিস্তম্ভের নিচে মঞ্চে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন নিউ জার্সির প্রিন্সটনের অবসরপ্রাপ্ত জৈব চিকিৎসা বিজ্ঞানী টেরি ক্লেইন। তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অভিবাসন থেকে শুরু করে, শুল্ক, শিক্ষা সবকিছুর ওপর ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে তিনি সমাবেশে যোগ দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, আমাদের পুরো দেশ, আমাদের সব প্রতিষ্ঠান এখন আক্রমণের মুখে।

ওয়াশিংটনে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় জমে উঠতে শুরু করেছে। কেউ কেউ ইউক্রেনীয় পতাকা বহন করে, আবার কেউ কেউ ফিলিস্তিনি স্কার্ফ পরে এবং ‌‌‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ চিহ্ন বহন করে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যরাও ট্রাম্পের নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ওয়েস্ট ক্যাপ মের ৭৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক ওয়েইনে হোফম্যান বলেন, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি যেভাবে শুল্ক আরোপ করেছেন তা নিয়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ট্রাম্পের এসব নীতির কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অনেকেই চাকরি হারাবে বলে মনে করেন তিনি। এরই মধ্যে বিভিন্ন সেক্টরে অনেকেই হাজার হাজার ডলার খুইয়েছেন। ট্রাম্পের প্রশ্রয়ে ইলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি টিম মার্কিন সরকারের ওপর নজরদারি চালিয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার ২৩ লাখ কর্মী থেকে দুই লাখেরও বেশি মানুষ চাকরি হারিয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দায়িত্ব গ্রহণ করেই একের পর এক নির্বাহী আদেশ এবং অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে নিজের দেশ এবং দেশের বাইরেও সমালোচনার শিকার হচ্ছেন ট্রাম্প। এর মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code