যেসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে শিশুর উচ্চতা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

ডেস্ক নিউজ, ঢাকা: সব শিশুর বৃদ্ধি সমান হয় না। অনেকের মানসিক বিকাশ ঘটলেও শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে শিশুর উচ্চতা। কোনো শিশু বড় হয়ে কতটা লম্বা হবে তা জন্মের পরপরই সঠিকভাবে বলে দেওয়া না গেলেও মা-বাবার উচ্চতা মেপে চিকিৎসকরা একটা আন্দাজ করতে পারেন। ষোল-সতেরো বছর পর্যন্ত কারও লম্বা হওয়ার সময়। এরপর পঁচিশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২/১ সেন্টিমিটার উচ্চতা বাড়তে পারে; এরপর আর নয়। সাবালক হওয়ার পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। কোনো শিশু জন্মের সময় ২০ ইঞ্চি লম্বা হলে প্রাপ্ত বয়সে যদি ৬ ফুট (৭২ ইঞ্চি) উচ্চতা হতে হয় তবে তাকে ১৪ বছরে আরও ৫০ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। গড়ে প্রতি বছর ৪ ইঞ্চি করে। বাস্তবে সবসময় একই হারে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় না। জন্মের পরপর কয়েক বছর ও সাবালক হওয়ার সময় দ্রুত উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। অভিজ্ঞ মা-বাবারা অনেকেই তা জানেন। মানুষের উচ্চতা কমবেশি হওয়ার কারণ সাধারণত বংশগত। অনেক রোগ বিশেষ করে হরমোনজনিত রোগে কারও কারও উচ্চতা অস্বাভাবিকরকম কম বা বেশি হয়। পৃথিবীতে জানামতে সবচেয়ে খর্বাকৃতি মানুষের উচ্চতা মাত্র ২১ ইঞ্চি এবং সবচেয়ে লম্বা মানুষের ১০৭ ইঞ্চি প্রায় পাঁচগুণ তফাৎ! আশ্চর্যজনক বটে। কেন এমন হয় তা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে পিটুইটারি নামক হরমোন নিঃসরণকারী গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নামক এক প্রকার হরমোন কমবেশি হওয়ার কারণেই কেউ অস্বাভাবিকরকম খাটো বা লম্বা হয়ে থাকে। এই হরমোন কেন কমবেশি হয় তা চিকিৎসকরাই নির্ণয় করতে পারেন। গ্রোথ হরমোন ছাড়াও আরও কিছু কারণে শৈশবাবস্থায় কারও উচ্চতা বিঘ্নিত হতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code