রংপুরের সামিয়া যেভাবে হলেন উদ্যোক্তা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code
Manual3 Ad Code

রংপুর শহরের কেরানীপাড়া এলাকায় থাকেন সামিয়া। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। মহামারিকালে কীভাবে নিজে আয় করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়, ভাবছিলেন। এ বছরের শুরুর দিকে ফেসবুকে ‘বাঁধাসুতো’নামে একটা পেজ খোলেন অনলাইনে বিকিকিনির আশায়। কিন্তু হাত তো একেবারেই শূন্য। এক বন্ধুর কাছ থেকে দেড় হাজার টাকা ঋণ করে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। সামিয়া বলেন, ‘কুমিল্লা থেকে খুব কম দামে কয়েকটা পাঞ্জাবি কিনেছিলাম। একদিনেই সব পাঞ্জাবি বিক্রি হয়ে গেল। লাভ হলো এক হাজার টাকা। সেই থেকেই সাহস পেয়েছিলাম।’ কিছু টাকা সংগ্রহ করে একটু একটু করে ছেলেদের প্যান্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া; মেয়েদের শাড়ি, থ্রি-পিস, বোরকা, গাউন, হিজাব, তাঁতের শাড়ি—এমন নানা কিছু বিক্রি করতে শুরু করেন সামিয়া। ফেসবুকে প্রচার করে ভালোই সাড়া পান। পণ্য পৌঁছে দিতে কখনো কখনো নিজেই ছুটে যান। জানালেন, কয়েক মাসের মধ্যে লক্ষাধিক টাকার ব্যবসা করেছেন তিনি।

Manual3 Ad Code

Manual2 Ad Code

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের সঙ্গে চার বছর ধরে যুক্ত সামিয়া। এখন তিনি সংগঠনের রংপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের সভাপতি। তাই দায়িত্বও অনেক। কলেজ বন্ধ থাকলেও, সংগঠনের কাজ তো থেমে থাকতে পারে না। করোনায় তাঁদের দায়িত্ব বেড়ে গেছে আরও। সামিয়া বলেন, ‘আমরা করোনার সময় প্রায় ১২০০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করেছি। করোনার দুর্যোগে যাঁরা খাবারের কষ্টে ভুগছেন, তাঁদের অনেকের কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছি। স্বাস্থ্য সচেতনতায় শহরে প্রচারণা চালিয়েছি। রোজগার করতে শেখা এবং স্রেফ আত্মতৃপ্তির জন্যই এত কিছু করা।। ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে, কারও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চাই না।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code