

লন্ডন প্রতিনিধি: ইউক্রেনে ৯ মাস ধরে চলমান যুদ্ধের রুশ তেল নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো। রুশ তেলের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে তারা আমদানি বন্ধ করার পথে যেতে পারছিল না, আবার আমদানি জারি রাখলে রুশ কোষাগারে তাদের অর্থ জমা হচ্ছিল। যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যয় করবে রাশিয়া। এমন অবস্থায় রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প উৎসের সন্ধানে নামে তারা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট-৭ অইউরোপীয় দেশগুলোকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানির সুযোগ রাখলেও মূল্য বেঁধে দিয়েছে। রাশিয়া বলেছে, তারা এই বেঁধে দেওয়া মূল্য মানবে না। ফলে তেলের বাজারে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ইইউ ও জি-৭ রাশিয়ার এক ব্যারেল তেলের সর্বোচ্চ দাম ৬০ ডলার নির্ধারণ করে দেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। যদিও ইউক্রেন চেয়েছিল রুশ তেলের মূল্য ৩০ ডলার বেঁধে দেওয়া হোক। চলতি সপ্তাহ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো জ্বালানির বিশ্ববাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে রুশ অর্থনীতিকে আঘাত করা। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী রাশিয়ার কাছ থেকে অশোধিত তেল কেনার জন্য প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলারের বেশি দাম দেওয়া যাবে না। শুক্রবার প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত রুশ তেলের মূল্য ছিল ৬৭ ডলার।