রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের মধ্রেই রয়েছে সংকটের সমাধান

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

সম্পাদকীয়: কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখা ও তোতার দ্বীয়া দ্বীপে জঙ্গি ঘাঁটি গড়ে ওঠার বিষয়টি গভীর উদ্বেগজনক।
পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও রোহিঙ্গা বংশোদ্ভূত হাসানের নেতৃত্বে অন্তত ১৭ জঙ্গি ১৫ দিন ধরে শূন্যরেখায় একটি বাঙ্কারে সশস্ত্র অবস্থায় অবস্থান করছে, যাদের মধ্যে কমপক্ষে চারজন লস্কর-ই-তৈয়বার সক্রিয় সদস্য।

Manual8 Ad Code

অন্যদিকে আলোচিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত সীমান্তের তোতার দ্বীয়া দ্বীপে আফগান ফেরত তালেবান যোদ্ধা ও রোহিঙ্গা বংশোদ্ভূত মৌলানা আবুজরের নেতৃত্বে আরেকটি জঙ্গি গ্রুপ অবস্থান করছে। দুটি গ্রুপকেই মিয়ানমার সেনাবাহিনী মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, নিজ বাসভূমি থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শুরু থেকেই বাংলাদেশের জন্য মূর্তিমান সমস্যা হিসাবে বিরাজ করছে। কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদকের কারবার, দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অন্তত অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে উঠেছে।
গত ২৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের পর জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার’ সামরিক শাখার প্রধান রণবীরসহ দুজনকে গ্রেফতারের পর ক্যাম্প ঘিরে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করি আমরা।

Manual5 Ad Code

যে কোনো চরমপন্থাই খারাপ। প্রতিটি ধর্মের অন্তর্নিহিত মর্মবাণী হচ্ছে শান্তি। অশান্তি, নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা শুধু ধর্মীয় নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও পরিত্যাজ্য। শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম কখনোই হত্যা ও ধ্বংসের রাজনীতি সমর্থন করে না। হানাহানি-কাটাকাটি ইসলামের মর্মবাণীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক-এটি জেনেও জঙ্গিরা তাদের গোপন অভিলাষ চরিতার্থের উদ্দেশ্যে ধর্মের লেবাসে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মধ্যেই যাবতীয় সমস্যার সমাধান নিহিত রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code