লন্ডনে স্বল্প পরিমাণ গাঁজার জন্য শাস্তি কমানোর পক্ষে মেয়র সাদিক খান

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেছেন, স্বল্প পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার অপরাধে শাস্তি লাঘবের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে তিনি এমন মত দেন। তাঁর মতে, প্রতিবেদনটি একটি ‘প্রমাণভিত্তিক, গ্রহণযোগ্য যুক্তি’ তুলে ধরেছে।

Manual6 Ad Code

স্কাই নিউজ জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, গাঁজা একটি ‘বি’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে কেউ গাঁজাসহ ধরা পড়লে তাঁকে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। তবে ২০২২ সালে মেয়র সাদিক খানের উদ্যোগে গঠিত ‘লন্ডন ড্রাগস কমিশন’ (এলডিসি) এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বর্তমান আইন গাঁজার প্রকৃত ক্ষতির তুলনায় অতিরিক্ত কঠোর।

Manual6 Ad Code

এলডিসি-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—বিশ্বজুড়ে গাঁজা নিয়ন্ত্রণে যেভাবে আইন প্রয়োগ করা হয়, তা পর্যালোচনার পর দেখা গেছে, গাঁজা নিয়ে পুলিশের নজরদারি অনেকাংশেই নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ওপর কেন্দ্রীভূত। এর ফলে পুলিশের সঙ্গে এসব জনগোষ্ঠীর সম্পর্কের অবনতি ঘটছে।

প্রতিবেদনটিতে গাঁজার পূর্ণ বৈধতার কথা বলা হয়নি, বরং প্রাকৃতিক গাঁজাকে বর্তমান ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার আইন’ থেকে সরিয়ে ‘মনোসক্রিয় বস্তু আইন’-এর আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে করে ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখা আইনসংগত হবে, যদিও আমদানি, উৎপাদন ও সরবরাহ নিষিদ্ধই থাকবে।

কমিশন আরও বলেছে—গাঁজা সেবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে আরও ভালো শিক্ষা প্রচার এবং আসক্তদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।

Manual6 Ad Code

কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে সাদিক খান বলেন, ‘মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে আমাদের নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার জন্য বর্তমান দণ্ড ব্যবস্থা যৌক্তিক নয়।’

এলডিসি-এর প্রধান ও সাবেক লর্ড চ্যান্সেলর লর্ড চার্লি ফাকনার বলেছেন, ‘গাঁজা সম্পূর্ণ বৈধ করা সমাধান নয়। আমাদের আইন ব্যবস্থাকে শুধু মাদক ব্যবসায়ীদের ওপর জোর দিতে হবে, ব্যবহারকারীদের ওপর নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবহারকারী গাঁজার ক্ষতিকর প্রভাব ভোগ করেন, তাদের জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।’

Manual5 Ad Code

ব্রিটিশ সরকার অবশ্য এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘গাঁজা এখনো বি শ্রেণির মাদক এবং আমরা এটিকে নতুন শ্রেণিবিন্যাসের কোনো পরিকল্পনা করছি না।’

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code