লোহাগাড়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২দিনে ৭টি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

এম,আবদুল জব্বার ফিরোজ,লোহাগাড়া( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযান চলছে।এসব অবৈধ ইটভাটায় অভিযান করে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে প্রশাসন। এ পর্যন্ত ২ দিনে ৭ টি অবৈধ ইটভাটা ঘুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্ট এ করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের নির্দেশের পর জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদফতর, পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে সোমবার থেকে লোহাগাড়া উপজেলায় এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে চলমান রয়েছে।
সোমবার লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম কলাউজানের কেবিকে ব্রিকস ও পিএসবি ব্রিকস, চুনতি এলাকার সিবিএম ও আমিরাবাদের বিএবি ব্রিকসসহ মোট ৪টি ও মঙ্গলবার চরমম্বা ইউনিয়নের এসবিএন ব্রিকস, এসবিএম ব্রিকস ও সিবিএম-১ ব্রিকসসহ ৩ টি র্সবমোট ৭টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ২ দিনে। তাছাড়া এসবিএন ব্রিকস মালিককে এক লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়।
সোমবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয় উমর ফারুক ও ২য় দিন মঙ্গলবার গালিব চৌধুরী অভিযানের নেতৃত্ব দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী বলেন, সোমবার লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম কলাউজান, চুনতি ও আমিরাবাদ এলাকার মোট চারটি ইটভাটা ও মঙ্গলবার চরম্বা এলাকার ৩টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব ইটভাটার কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র নেই, লাইসেন্স নেই। তাছাড়া কৃষি জমির উপর গড়ে উঠেছিল এসব ইটভাটা। ইটভাটাগুলোতে কৃষি জমি ও পাহাড়ি জমি কেটে মাটি নিয়ে ইট তৈরি করা হচ্ছিল। আশেপাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতঘর, মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে।
পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন বলেন, লোহাগাড়া উপজেলা থেকে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। দুই দিনে মোট সাতটি ইটভাটা উচ্ছেদ করা হয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলায় অর্ধ শতাধিক ৪৯ টি ইটভাটা রয়েছে এর মধ্যে ৩ টির বৈধতা থাকলেও ৪৬টি ইটভাটার বৈধতা নেই। পর্যায়ক্রমে এসব অবৈধ ইটভাটাগুলো আমরা উচ্ছেদ করবো।
দুই দিনের অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী, উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন, পরিদর্শক নুর হাসান সজীব, র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক মো. নুরুল আবছারসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এসময় তারা অভিযান চলমান থাকার কথাও বলেন।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code