শরণখোলা নির্মানাধীন বাঁধ পরিদর্শনে জিওসি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

শরণখোলা (বাগেরহাট) :
বাগেরহাটের শরণখোলায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মানাধীন বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান এনডিসি পিএসসি। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলার সাউথালী ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত গাবতলা ও বগী এলাকা ঘুরে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোজ খবর নেন এবং বালুর বস্তার দিয়ে ডাম্পিং কাজের উদ্ধোধন করেন। এসময় তিনি ঘুর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ত্রান সহায়তা দেন।
পরিদর্শকালে তার সাথে ২৮ পদাতিক ব্রিগেডের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ আল মাসুম, মেজর মো ঃ সাদেকিন, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ব ব্য্ংাকের অর্থায়নে উপকূল রক্ষা প্রকল্পের (সিআরপি) আওতায় নির্মানাধীন বেড়িবাঁধের প্রায় দুই কিলোমিটার গত ২০ মে ঘুর্ণিঝড় আম্পানে সম্পূর্ণ বিলিন হয়ে যায়। পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে শত শত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শরণখোলায় আসেন। এসময় তিনি এলাকাবাসীর ক্ষয়ক্ষতি লাগভে দ্রুত ওই বাঁধ নির্মানের জন্য সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেন।
গত ৫ জুন সেনাবাহিনীর ২৮ পদাতিক ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭০০ মিটার বাঁধ নির্মানের কাজ শুরু করে। তারা গত এক মাসের মধ্যে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বল্লি, ড্রামশিড ও জিওব্যাগ দিয়ে ঝুকিমুক্ত করেন। আট কোটি টাকা ব্যায় সাপেক্ষ্যে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ নির্মানে চারটি প্যাকেজের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এব্যাপারে বাঁধ সংলগ্ন গ্রামবাসী আঃ খালেক, জাহাঙ্গীর ফরাজী, জাকারিয়া সরদার বলেন, প্রায় ৫ বছর আগে থেকে চায়নার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠনের মাধ্যমে বেড়িবাঁধের কাজ শুরু হলেও তারা আমাদের ঝুকিপূর্ণ এলাকায় কোন কাজ করেনি। যার কারনে বাঁধের এই অংশে প্রতি বছর ভেঙ্গে আমাদের বাড়ি-ঘর নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। সেনাবাহিনী দ্রুততার সাথে কাজ করায় তারা সস্তি ফিরে পান।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code