শাহবাজের মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন যারা

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

অবশেষে শপথ গ্রহণ করেছে পাকিস্তানের ৩৪ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার আইন-ই-সদরে আয়োজিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিনেটের চেয়ারম্যান সাদিক সানজারানি। সোমবার এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এ অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলে শপথ পিছিয়ে যায়।

Manual8 Ad Code

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মন্ত্রিসভায় ৩১ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তিন উপদেষ্টা ও তিনজন প্রতিমন্ত্রী আছেন। প্রথম ধাপের এ মন্ত্রিসভায় পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারিদারি শপথ নেননি। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিলাওয়াল।

Manual8 Ad Code

মন্ত্রিসভা পরিষদের তালিকা অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান শরীক ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির শীর্ষ দল মুসলিম লীগ-নওয়াজ পিএমএল-এন থেকে ১২ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দুই প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পিপিপি থেকে এসেছেন নয়জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী ও একজন উপদেষ্টা।

জমিয়তে উলেমায়ে ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) থেকে ৪, এমকিউএম-পাকিস্তান থেকে ২ এবং জেডব্লিউপি, বিএপি ও পিএমএল-কিউ থেকে একজন করে মন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন।

Manual5 Ad Code

মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)- থেকে খাজা আসিফ, আহসান ইকবাল,রানা সানাউল্লাহ, আইয়াজ সাদেক, খুররম দস্তগীর, রানা তানভীর, মরিয়ম আওরঙ্গজেব, সাদ রফিক, রিয়াজ হুসাইন পীরজাদা, আজম নাজির এবং জাভেদ লতিফ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) খোরশেদ শাহ, নুয়াদ কামার, শিরি রহমান, মুরতাজা মাহমুদ, এহসানুর রহমান মাজারি, আবিদ হুসাইন এবং শাজিয়া মেরি জায়গা পেয়েছেন নতুন এ মন্ত্রিসভায়। জমিয়তে উলেমায়ে ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) থেকে আসআদ মাহমুদ, আবদুল ওয়াসে, আবদুশ শাকুর ও মুহাম্মদ তালহা এবং এমকিউএম- থেকে সাইয়েদ আমিনুল হক, ফয়সাল মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছেন।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় সময় সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টায় পাকিস্তানের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার কথা ছিল।  কিন্তু প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি নতুন মন্ত্রিদের শপথ পড়াতে অপারগতা জানানোর পর শপথগ্রহণ একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, দেশটির ক্ষমতাসীন জোট এখনও বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। কারণ এর জন্য জাতীয় ও আঞ্চলিক অ্যাসেম্বলির পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন। ক্ষমতাসীন জোট কোনো একটি সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন, তা নির্ধারণ করবে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code