শূন্য থেকে শুরু করা দেশটি এখন অনেক দেশের উদাহরণ : পরিকল্পনামন্ত্রী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, অনেক অমূল্য সম্পদের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। আমরা সর্বস্ব বাজি রেখে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাই এই স্বাধীনতা আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। আমাদের স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর একেবারে শূন্য হাতে নতুন একটি দেশ যাত্রা করে। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন একটি উন্নত দেশে পরিণত হয়েছে। অনেক দেশের কাছে উদাহরণ হয়েছে। এই অর্জন, এই সাফেল্যর পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

Manual4 Ad Code

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট স্টেশন ক্লাব প্রাঙ্গণে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

Manual7 Ad Code

নন্দিতা দত্ত ও নাজমা পারভীন’র যৌথ সঞ্চালনায় পরিকল্পনা মন্ত্রী আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে মানুষ সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, সাহস যুগিয়েছেন, তেমনি করে তার কন্যা প্রথানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শক্তি যোগাতে হবে। সবার সহযোগিতায় ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য অনুযায়ী আমরা উন্নতির শিখরে পৌঁছবো। আমরা সভ্য জাতি হিসেবে আরো সমৃদ্ধ হবো। গোটা পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে চেয়ে থাকবে আমাদের দিকে।

মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত আহমেদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমেদ আল কবির ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ রায় বর্মণ।
আলোচকের বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত আহমেদ বলেছেন, আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতা অর্জনে কত বুকের তাজা রক্ত দিতে হয়েছে, কত মূল্য দিতে হয়েছে, কত ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। বাঙালি জাতি যত দিন বেঁচে থাকবে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গৌরব করবে, অহংকার করবে।

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমেদ আল কবির তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাঙালির সহস্র বছরের সাধনা শেষে অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। সেই স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মর্যাদার স্থানে নিয়ে গেছেন। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এদেশে নজীরবিহীন উন্নয়ন হবে, যার সুফল পাবো আমরা।

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ রায় বর্মণ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, সাড়ে সাত কোটি মানুষের অসীম ত্যাগ আর সাহসিকতার ফসল ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিজয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা অকুতোভয় সংগ্রাম করেছি। সেই সংগ্রামের পেছনের ইতিহাস বড়ই নির্মম, রক্তাক্ত। নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানানো আমাদের দায়িত্ব।
সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার ইতিহাস জানাতে হবে। তারা কোনোভাবেই যেন ইতিহাস বিভ্রান্ত না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, দেশপ্রেম ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। মাটির প্রতি মায়া থাকতে হবে। এ দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সেই সম্প্রীতি অতীতে ছিলো, এখনো আছে।

Manual3 Ad Code

আলোচনার পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। মুজিব কোর্ট পরে শিশুরা গীতি নাট্য ‘তুমি নেতা তুমি পিতা’ পরিবেশন করে। সেই পরিবেশনা মুগ্ধ করে সবাইকে। তারপর শুরু হয় নৃত্য আলেখ্য স্বাধীনতা তুমি ও বাউল গান। ভারতের হাইলাকান্দি থেকে গানের দল ‘ফেরিওয়ালা’ ছিলো অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। শুরুতে জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী নৃত্যে অংশ নেন সিলেটের শিল্পীরা। আজ শনিবার সমাপনী অনুষ্ঠান সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হবে। আলোচনাপর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ এমপি।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code