

কানাডা প্রতিনিধি: বার্ধক্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষম নাগরিকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা কানাডার সমাজ ও অর্থনীতির ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও পেনশন ব্যবস্থার ওপরও চাপ সৃষ্টি করবে। স্টাটিসটিকস কানাডা বলছে, অভিবাসন বৃদ্ধি করেও এই পরিস্থিতি এড়ানো যাবে না।
অভিবাসীবান্ধব হিসেবে পরিচিতি রয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি ৮০ লাখ। দেশটিতে জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ায় বিশ্বের অনেক দেশের নাগরিকরাই নতুন জীবন শুরু করতে সেখানে পাড়ি জমায়।
প্রতি বছরই বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন করে কানাডাতে অভিবাসী আসলেও দেশটি ভুগছে শ্রমজীবী কর্মীর ঘাটতিতে।
ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার প্রতি ৫ জনের ১ জনের অবসর গ্রহণের সময়সীমা ঘনিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে যেমন বেকারত্বের হার কমে এসেছে, তেমনি শ্রমজীবী কর্মীর ঘাটতিও সৃষ্টি হচ্ছে।
২০২১ সালের আদমশুমারির ওপর ভিত্তি করে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানাডার জনসংখ্যায় কখনও বয়স্কদের আধিক্য ছিল না। সর্বশেষ দেখা গেছে, দেশটির জনসংখ্যার ২২ শতাংশের বয়স ৫৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে। কানাডার আদমশুমারির ইতিহাসে এই সংখ্যাটি সর্বোচ্চ।
কানাডার অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীরা। আদমশুমারি অনুযায়ী দেশটিতে এই বয়সী নাগরিকের সংখ্যা ৬৪.৮ শতাংশ। যা জি-সেভেন দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। যেমন জাপানের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশেরও কম, কর্মে সক্ষম বয়সসীমার মধ্যে রয়েছে।
কানাডার ক্ষেত্রেও ২০৫০ সালের আগেই কর্মজীবী কানাডীয়দের সংখ্যা জাপানের মতোই ৬০ শতাংশে নেমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।