সংকটে সীমাবদ্ধ বাগেরহাটের পর্যটন শিল্প

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যের দু’টিই বাগেরহাটে। একটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, অন্যটি মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ।

দর্শনার্থীরা ইচ্ছে করলেই একদিনে ইনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ঘুরে দেখতে পারেন। এর সঙ্গে এ জেলায় অন্তত ৫০টি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। যা সব সময় দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে  থাকে। এতসব সম্ভাবনা থাকার পরও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাবার ও আবাসিক হোটেল, ট্যুরিস্ট বাস না থাকায় জেলায় পর্যটন শিল্পের তেমন বিকাশ ঘটেনি। এক কথায় নানা সংকটে এ জেলার পর্যটন শিল্প সম্মৃদ্ধ হয়নি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগও ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদসহ বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপনা কেন্দ্র করে জেলাকে পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Manual1 Ad Code

সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ কেন্দ্রিক ট্যুরিস্ট গাইড হাফিজুর রহমান বলেন, বাগেরহাট এমন একটি জেলা, যেখানে ঘুরলে প্রকৃতি-প্রাচীন স্থাপনা, নদী-খাল-বিল, সমুদ্রবন্দর সব কিছু পাওয়া যায়। এরপরও আমাদের জেলায় ট্যুরিস্ট বাস, আবাসিক হোটেল, খাবার হোটেলের ব্যাপক সংকট রয়েছে। অনেক সময় বিদেশি এবং উচ্চবিত্ত মানুষ বাগেরহাট ভ্রমণে আসে, কিন্তু তাদের চাহিদা অনুযায়ী আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় তারা খুলনা চলে যায়। এটা আমাদের সীমাবদ্ধতা বোঝায়।

Manual1 Ad Code

ষাটগম্বুজ-সুন্দরবন ট্যুরিজম ট্যুর অপারেটরের পরিচালক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু বলেন, জেলায় ষাটগম্বুজ, সুন্দরবনসহ অনেক পর্যটন স্পট থাকলেও সুযোগ-সুবিধা খুবই কম। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবে পর্যটকদের সঙ্গে স্থানীয়দের আচার-ব্যবহারের ঘাটতি রয়েছে। এজন্য ষাটগম্বুজ, মোংলাসহ বিভিন্ন স্থানের হোটেল-রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ও ট্যুরিস্ট গাইডদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code