সকালের এই ৭ অভ্যাস প্রাকৃতিকভাবে কমাতে পারে কোলেস্টেরল

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট :

কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের মোমজাতীয় রক্তের চর্বি। একটি নির্দিষ্ট লেভেল পর্যন্ত কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। কারণ কোষ তৈরিতে ও ভিটামিন-হরমোন তৈরিতে শরীরের কোলেস্টেরল প্রয়োজন হয়।

Manual1 Ad Code

সমস্যা তৈরি হয় কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে। উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা প্রাকৃতিকভাবেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল। সকালের কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস আপনাকে সাহায্য করতে পারে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে।

সকালে খালি পেটে তাজা লেবুর রস মিশ্রিত কুসুম গরম পানি খান। লেবুতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে পারে এবং ধমনীর রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর খাবেন এটি।

প্রাতঃরাশে দ্রবণীয় ফাইবার যেমন ওটস, চিয়া বীজ, আপেল এবং কলার মতো ফল খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। দ্রবণীয় ফাইবার আমাদের খারাপ কোলেস্টেরল থেকে দূরে রাখে।

আপনার সকালের রুটিনে এক মুঠো বাদাম রাখুন। বাদামের পাশাপাশি আখরোট বা ফ্ল্যাক্সসিড খান। এগুলো ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অসম্পৃক্ত চর্বি সমৃদ্ধ যা খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।

Manual2 Ad Code

সকালে দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন। ২০ থেকে ৩০ মিনিটের দ্রুত হাঁটা কোলেস্টেরলের মাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে।

Manual6 Ad Code

মৃদু যোগব্যায়াম করতে পারেন সকালে। এটি রক্তসঞ্চালনকে উদ্দীপিত করে এবং কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো রাখে। কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করুন। গ্রিন টিতে ক্যাটেচিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

Manual2 Ad Code

সকালের নাস্তায় চিনিযুক্ত সিরিয়াল, পেস্ট্রি এবং মিষ্টিযুক্ত পানীয় খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়াতে পারে এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code