

ডেস্ক রিপোর্ট : সহিংস অপরাধে জড়িত দেশের নাগরিকদেরও এল স্যালভাদরে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউযে এল স্যালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলির সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা জানান তিনি। হোয়াইট হাউযের ওভাল অফিসে সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন এল স্যালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলি। এসময় অপরাধ দমনে অ্যামেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করায় বুকেলিকে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।
এসময় ট্রাম্প বলেছেন, দেশে এমন কিছু অপরাধী আছে যারা পুরোপুরি দানব। তাদেরকে দেশ থেকে বের করে দিতে চান তিনি।
বৈঠকে এল স্যালভাদরের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ভুলবশত তার দেশে পাঠানো মেরিল্যান্ডের বাসিন্দা কিলমার আব্রেগো গার্সিয়াকে অ্যামেরিকায় ফেরত পাঠানো হবে না। এটি তার ক্ষমতার বাইরে।
এল স্যালভাদরের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশ একসময় অপরাধ ও হত্যার জন্য কুখ্যাত ছিল, তবে এখন একটি নিরাপদ দেশে পরিণত হয়েছে। বাইডেন প্রশাসনের উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, সারাবিশ্বের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার অপরাধী অ্যামেরিকায় ঢুকে পড়েছে একজন ব্যক্তির সিদ্ধান্তের কারণে।
এসময় প্রেসিডেন্ট বলেন, দেশেরও অনেক অপরাধী আছে যাদেরকে তিনি বিতাড়িত করতে চান। তবে এ বিষয়ে আইনগুলো খতিয়ে দেখতে হবে বলেও জানান ট্রাম্প। এল স্যালভাদরে পাঠানো মেরিল্যান্ডের বাসিন্দা কিলমার আব্রেগো গার্সিয়াকে দেশে ফেরত আনার বিষয়ে, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি অবৈধভাবে দেশে অবস্থান করছিলেন।
গার্সিয়াকে ফেরত আনার বিষয়টি এল স্যালভাদরের ওপর নির্ভর করছে দাবি করে বন্ডি বলেন, তারা তাকে ফেরত দিলে অ্যামেরিকা বিমানের ব্যবস্থা করতে পারে। অভিবাসী বিতাড়ন প্রসঙ্গ ছাড়াও আরো বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, নিকট ভবিষ্যতে ওষুধ আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছেন। যা দেশের ওষুধ শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করবে বলেও দাবি করেন তিনি। ইরানের প্রসঙ্গে ট্রাম্প আবারো বলেন, তিনি চান দেশটি আরো ধনী ও সমৃদ্ধ হোক। কিন্তু কোনোভাবেই পারমাণবিক শক্তিধর হতে পারবে না তারা।
Desk: K