

ডেস্ক রিপোর্ট: ইসলাম শান্তিপ্রিয় ধর্ম এবং এর শিক্ষা অত্যন্ত উচ্চাঙ্গের। ইসলামের শিক্ষাগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো সর্বাবস্থায় সমাজ ও দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
পবিত্র কুরআনে সূরা হিজরের ৮৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘আর তুমি সেসব জিনিসের প্রতি কখনো লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকাবে না যা আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে জীবনোপকরণ হিসাবে দান করেছি আর তাদের জন্য দুঃখ করো না। আর তুমি বিশ্বাসী মুমিনদের জন্য নিজের অনুগ্রহের বাহু প্রসারিত কর।’ অন্যদের আল্লাহতায়ালা যেসব স্বাচ্ছন্দ্যের উপকরণ দান করেছেন সেগুলোর দিকে লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকানো ইসলামে নিষেধ। এ নীতিগত শিক্ষা অবলম্বন করে মানুষ ব্যক্তিগত জীবনে সুখে-শান্তিতে থাকতে পারে। পরের ধনসম্পদ অন্যায় রূপে করায়ত্ত করার মানসিকতাকে একাধারে অনেক অশান্তির জন্ম দেয়।
আল্লাহতায়ালা কুরআনে কারিমে বিশ্বনবি ও শ্রেষ্ঠনবি হজরত মুহাম্মাদ মোস্তফা (সা.)কে সম্বোধন করে ইরশাদ করেছেন ‘ওয়া ইন্নাকা লাআলা খুলুকিন আজিম’ অর্থাৎ-নিশ্চয় তুমি অতীব মহান চরিত্রের ওপরে অধিষ্ঠিত (সূরা কলম, আয়াত : ৪)। মহানবি (সা.) বিশ্ববাসীর নেতা ছিলেন, তথাপি তিনি নিজ স্বার্থে কোনো প্রতিশোধ নিতেন না বরং শত্রুদের সঙ্গে এবং বিধর্মীদের সঙ্গেও উত্তম ব্যবহার করেছেন। মহানবি (সা.) তার উম্মতকেও এ নির্দেশই দিয়েছেন তারাও যেন ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করে। মহানবি (সা.)-এর অতুলনীয় জীবনাদর্শ থেকে কয়েকটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরার চেষ্টা করব যাতে আমরা সহজেই বুঝতে পারি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে তার ব্যবহার কেমন ছিল।