

ডেস্ক রিপোর্ট: গরমে যেন প্রাণ যায় যায় অবস্থা। তাপমাত্রার পারদ যতটুকু দেখায়, তার চেয়ে ঢেরে বেশি উত্তাপ অনুভূত হয়। হাঁসফাঁস এই পরিস্থিতির কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন নানা বয়সী মানুষেরা। অস্বস্তিকর এই গরমের দুই কারণ চিহ্নিত করেছে আবহাওয়াবিদরা। তাদের মতে, এখন যেরকম গরম পড়েছে তার প্রধান কারণ বাতাসের আদ্রতা। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হওয়ার কারণেও এই দুরবস্থা। বর্ষা আসার আগেই কালবৈশাখীর কারণে গত বছর আবহাওয়া এতটা চরম অবস্থায় ছিল না। সে তুলনায় এবার বৃষ্টি হয়নি বললেই চলে। এই কারণেই এতটা গরম পড়েছে।
দেশে মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ ঘটেছিল। জৈষ্ঠ্য মাসেই চলে এসেছিল বর্ষা। সে হিসেবে এবার সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে ১০ জুন। একেবার আষাঢ় মাসেই বর্ষার আগমন ঘটবে বলে মনে করছে আবহাওয়া অধিদফতর। তারা বলছে, ঋতুর পালাবদলের এই সময়টা খুব নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তো আছেই। সব মিলিয়ে বর্ষা এবার যেমন কিছুট দেরিতে আসছে, তেমনি বৃষ্টি কম হওয়ারও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এ বছর বাতাসের আদ্রতা এত বেশি যে মানুষের শরীরে ঘাম বেশি হচ্ছে। সহজে শুকাচ্ছে না। এজন্য অস্বস্তিকর এক গরম অনুভুত হচ্ছে।