সার্কে মহাসচিব নিয়োগে জটিলতা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual7 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: শ্রীলঙ্কার কূটনীতিক এসালা রোয়ান ভিরাকুন ২০২০ সালের মার্চে সার্কের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ আগামী মার্চে শেষ হবে। পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার কথা রয়েছে আফগানিস্তান থেকে। কিন্তু আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেটি করতে জটিলতা দেখা দিয়েছে। যেখানে ভিরাকুনের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ৯ মাস আগেই সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনুমোদন দিয়ে দিয়েছিল, সেখানে নতুন মহাসচিব নিয়োগের প্রক্রিয়া এখনও শুরুই হয়নি।
সার্কের মহাসচিব নিয়োগ প্রক্রিয়া বিষয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, আটটি দেশ থেকে আদ্যক্ষর অনুযায়ী সার্কের মহাসচিব নিয়োগ হয়। যেমন প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশ থেকে এবং পরের মহাসচিব হয়েছেন ভুটান থেকে।
বর্তমান মহাসচিব শ্রীলঙ্কার জানিয়ে তিনি বলেন, আদ্যক্ষর অনুযায়ী এর পরের মহাসচিব আসবে আফগানিস্তান থেকে। কিন্তু আফগানিস্তানের পট পরিবর্তনের পরে এ বিষয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় এক বছর আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সাধারণত শুরু হয়। যে দেশ থেকে মহাসচিব নিয়োগ দেওয়া হবে, ওই দেশটি তাদের পছন্দের ব্যক্তির নাম অন্য রাষ্ট্রগুলোকে জানায় তাদের সম্মতির জন্য। অন্য রাষ্ট্রগুলো যাচাই বাছাইয়ের পরে তাদের মতামত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। কারো কোনও আপত্তি না থাকলে সার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সভায় নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অনুমোদন সাধারণত দায়িত্ব নেওয়ার অনেক আগেই দেওয়া হয়।
২০০৫ সালে নতুন সদস্য হিসাবে আফগানিস্তান সার্কে যোগ দেয়। ওই সময়ে দেশটির নাম ছিল ইসলামিক রিপাবলিক অব আফগানিস্তান। কিন্তু তালেবানরা গত বছরের আগস্টে ক্ষমতা দখলের পর নতুন নাম দেওয়া হয় ইসলামিক এমিরেটস অব আফগানিস্তান। এ বিষয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, সার্কের সিস্টেমে দেশটির নতুন নাম সমস্যা তৈরি করেছে। কারণ, সেখানে ইসলামিক এমিরেটস অব আফগানিস্তান বলে কিছু নেই। সার্কের সদস্য হচ্ছে রাষ্ট্র এবং সেখান থেকে প্রতিনিধি পাঠানো হয়, কিন্তু আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদের বিষয়ে দুই-একটি সদস্য রাষ্ট্রের আপত্তি আছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, এর ফলে সার্কে স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিভিন্ন বৈঠকসহ অন্যান্য কার্যক্রমে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code