সিলেটে শীতের আগে কমছে না শাক-সবজির দাম!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

দুই মাসের বেশি সময় ধরে সিলেটে শাক-সবজির দামে যেন আগুন ঝরছে। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরণের সবজি। এরই মধ্যে দু:সংবাদ দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন- আগামী শীত মৌসুমের সবজি আসার আগ পর্যন্ত সিলেটে দাম কমার সম্ভাবনা নেই। এই অবস্থায় বিপাকে আছেন গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

Manual8 Ad Code

গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) সিলেটের বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই মাসের অধিক সময় ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। বাজার ও মান ভেদে পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা। গাজরের কেজি ৯০ থেকে ১১০ টাকা। করলা (ছোট) বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন। তবে বড় করলা ৭০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

বাজার ও মানভেদে প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা। পাশাপাশি চিচিংগা ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৭০ টাকা, পটল ও ঢেড়স ৫০-৬০ টাকা, কাকরোল ৬০-৭০ টাকা, কচুর মুখি ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

এছাড়া ধুন্দল ৬০-৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঝিঙা। লাউয়ের পিস ৬০-৭০ টাকা, চালকুমড়োর জালির পিস ৪০-৫০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০-৪৫ টাকা এবং কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। এর সঙ্গে চড়া দামে । এক কেজি আলু কিনতে হচ্ছে ৩৫-৩৭ টাকা দিয়ে।

শাহীন নামের বন্দরবাজারের এক সবজিবিক্রেতা বলেন, এ সপ্তাহে নতুন করে সবজির দাম নতুন করে বাড়েনি। তবে বন্যা ও পানিতে সবজি খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক দিন ধরেই সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে শীতের সবজি বাজারে আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে, দুই মাসের বেশি সময় ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের দাম নতুন করে আরও চড়েছে। সিলেটের বিভিন্ন বাজারে ভালো মানের ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। অর্থাৎ এক কেজি কাঁচামরিচের দাম পড়ছে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা।

কাঁচামরিচের এমন চড়া দামের সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক। বাজার কোনো শাকের আঁটি এখন ২০ টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে না। এর সঙ্গে সবজির চড়া দাম তো আছেই। একমাত্র কচু ছাড়া কোনো সবজির কেজি ৫০ টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,, ভালো মানের কাঁচামরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। অধাকেজি নিলে এসব মরিচের দাম রাখা হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা। আর এক কেজি নিলে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা দাম রাখা হচ্ছে।

তবে কোথাও কোথাও কাঁচামরিচের পোয়া ৫০ টাকা এবং কেজি ১৮০ টাকা রাখা হচ্ছে। অবশ্য এ মরিচের মান ভালো না। ৫০ টাকা পোয়া বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের মধ্যে একটি বড় অংশই নষ্ট।

মরিচের এমন চড়া দামের বিষয়ে কাদির নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, বন্যা আর বৃষ্টিতে সব শেষ। এরপরও কিছু কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছে এই ভালো। বাজারে কাঁচামরিচের যে সরবরাহ তাতে কেজি ৩০০ টাকা হলেও আশ্চর্যের কিছু নেই।

এদিকে বিভিন্ন বাজারে, লাল শাক, সবুজ শাক, কলমি শাকের পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে পুঁইশাক। পুঁইশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। আর লাল শাক, সবুজ শাক ও কলমি শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

শাকের দামের বিষয়ে ব্যবসায়ী রাহেল বলেন, ঈদের পর থেকেই শাক এমন দামে বিক্রি হচ্ছে। আড়তেই এক আঁটি লাল শাক, কলমি শাক কেনা পড়ছে ১৫ টাকা। সুতরাং এই শাক ২০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code