

ডেস্ক রিপোর্ট: অনেকেই জেনেছেন সময়ের আলোচিত ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমাটি পাইরেসির কবলে পড়েছে। হল প্রিন্টের একটি ভার্সন ছড়িয়ে পড়েছে ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মুভি-সিরিজের ওয়েবসাইটে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাধারণত ঢাকার সিনেমা পাইরেসি হয়নি। নানা কৌশলে এই অবৈধ কাজটি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে ঢালিউড। কিন্তু সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ফিরলো রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’র মাধ্যমে। যখন সিনেমাটি বাংলাদেশ জয় করে পশ্চিমবঙ্গেও ঝড় তুললো, তখন কোনও একটি পক্ষ ছবিটির কপি রেকর্ড করে ছেড়ে দিয়েছে অনলাইনে।
প্রশ্ন হলো, ‘সুড়ঙ্গ’ পাইরেসি হলো কীভাবে? সেটি কি মাস্টার কপি নাকি হল থেকে অন্য ক্যামেরায় রেকর্ড করা? আবার কেউ বলছেন, বাংলাদেশে তো পাইরেসি হয় না, এটা নিশ্চয়ই কলকাতার কোনও হল থেকে পাইরেসি হয়েছে।
এমন প্রশ্ন আর সন্দেহের খানিক উত্তর মিলেছে ছবিটির সম্পাদক সিমিত রায় অন্তরের অনুসন্ধানে। তার মতে, ছবিটি বাংলাদেশ থেকেই পাইরেসি হয়েছে। এবং সেটি সিনেমা হল থেকে।