সু চির মামলায় রায় ঘোষণা ফের পেছালো

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ মিয়ানমারের ক্ষমতাচু্যত নেত্রী অং সান সু চির দুটি মামলার রায় ঘোষণা ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেছে জান্তা শাসিত দেশটির একটি আদালত।

সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) আদালতের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন। এদিন অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখাসহ সু চির বিরুদ্ধে দায়ের করা ডজনখানেক মামলার মধ্যে দুটির রায় হওয়ার কথা ছিল।

এর আগে, অবৈধভাবে ওয়াকিটকি আমদানি এবং ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটির রায় ২০ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল। তখন রায় ঘোষণা ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছিল আদালত। এবার তা ফের মুলতবি করা হলো। ওয়াকিটকির মামলা ছাড়াও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন ভঙ্গসহ সু চির বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা করেছে জান্তা সরকার। সব কটিতে দোষীসাব্যস্ত হলে ১০০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে সু চির। তবে সব অভিযোগই সু চি অস্বীকার করেছেন।

Manual5 Ad Code

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী সু চি (৭৬) সমর্থকরা বলেছেন, তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো ভিত্তিহীন এবং সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে তার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো এক বারে শেষ করার জন্য এগুলো দায়ের করা হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভু্যত্থানে ক্ষমতা হারানোর আগ পর্যন্ত মিয়ানমারের স্বাধীনতার নায়ক অং সানের কন্যা সু চি দেশটির একটি বেসামরিক সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। ক্ষমতাচু্যত করার পর তাকে কারাবন্দি করে সামরিক জান্তা তার বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা দেয়।

Manual5 Ad Code

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোয় জান্তার একটি বিশেষ আদালতে সু চির রুদ্ধদ্বার বিচার হচ্ছে। সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উসকানি দেওয়া এবং করোনা ভাইরাসের বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এর আগে এ মাসের শুরুতেই সু চির চার বছর কারাদণ্ড হয়। এরপর সেই সাজা কমিয়ে দুই বছর করা হয়। বলা হয়েছিল, অজ্ঞাত যে স্হানে সু চিকে রাখা হয়েছে সেখানেই সাজা ভোগ করবেন তিনি। ওয়াকিটকির মামলায় দোষীসাব্যস্ত হলে এক বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ তিন বছরের সাজার মুখোমুখি হতে পারেন সু চি।

Manual4 Ad Code

সামরিক শাসনের বিরোধিতা করায় সু চি ২০১০ সালের আগ পর্যন্ত বহু বছর গৃহবন্দি ছিলেন। ঐ বছর মুক্তি পাওয়ার পর ২০১৫ সালের নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি বড় ধরনের জয় পায়। গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে তার দল ফের জয় পায়। এর কয়েক সপ্তাহ পর নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। যদিও নির্বাচন কমিশন সামরিক বাহিনীর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code