

ডেস্ক রিপোর্ট: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দুই সপ্তাহ আগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়, সে ব্যাপারে জানালেও নির্ধারিত সাজার কথা সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ মিশনকে জানায়নি।
জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে এক চিঠিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ কথা জানিয়েছে। এই চিঠি গত ১৮ই অক্টোবর ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলখানায় নানা অভিযোগে আটক বাংলাদেশিদের তথ্য চেয়ে কনস্যুলেট থেকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ করা হয়েছিল।
সেই অনুরোধের পর গত ৩০শে সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষ যে তালিকা দিয়েছে, তাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, ইকামা নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জেদ্দা কনস্যুলেটকে যে তালিকা দিয়েছে, তাতে এই দুই বাংলাদেশির অপরাধ ও মামলা সম্পর্কেও জানানো হয়েছে।
তালিকাটি বিবিসি বাংলার হাতে এসেছে। ওই তালিকায় তাদের বিরুদ্ধে ‘সাইবার অপরাধ ও জেনা’ করার অভিযোগের কথা জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
যদিও “শাস্তির বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না” বলে মন্ত্রণালয়কে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশি কনস্যুলেট জেনারেল।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী জেদ্দায় বাংলাদেশি কনস্যুলেট কার্যালয়ের সূত্রগুলো বলছে, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সবশেষ প্রায় আড়াই হাজার বন্দির তালিকা পাওয়া গেছে।