

বিশেষ প্রতিবেদন: স্কুল শিক্ষার্থীদের রুটিন শুরুই হওয়ার কথা প্রতিদিনের অ্যাসেম্বলি দিয়ে। এমনটাই আছে নিয়মে ও নির্দেশনায়। সেই অ্যাসেম্বলিতে শপথবাক্য পাঠ করানোর বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। অথচ বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক স্কুলে নিয়মিত অ্যাসেম্বলি হয় না। যদিও শিক্ষকরা দাবি করছেন তারা ক্লাসরুমে অ্যাসেম্বলি করান। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন অ্যাসেম্বলির চল উঠেই গেছে। ২০২১ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে রাজধানীর ৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২৭ জন শিক্ষকের ওপর এ জরিপ পরিচালনা করে একটি বেসরকারি সংস্থা। যেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৯টি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।জরিপে শিক্ষকদের দেওয়া জবাবের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য থেকে দেখা গেছে ৬৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন স্কুলে প্রতিদিন অ্যাসেম্বলি হয়। ৩৩ শতাংশ বলছেন অ্যাসেম্বলি হয় না। জরিপ চলাকালে বার্ষিক পরীক্ষার পর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরে সরেজমিনে বেশ কিছু বিদ্যালয়ে গিয়ে জরিপের উত্তরের সঙ্গে বাস্তবতার ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।
সত্যিকার অর্থে অ্যাসেম্বলি হয় কিনা দেখতে গত ২৬ জুন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে স্কুলগুলোতে যান এ দুই প্রতিবেদক। জরিপ চালানো স্কুলগুলো থেকেই বাছাই করা কয়েকটি স্কুলে যাওয়া হয়। কিন্তু অ্যাসেম্বলির কার্যক্রম চোখে পড়েনি একটিতেও।পুরান ঢাকার বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা বা অ্যাসেম্বলির জন্য কোনও মাঠ নেই। অ্যাসেম্বলি হয় কিনা জানতে চাইলে শিক্ষকরা জানান নিয়মিত হয়।