

ডেস্ক রিপোর্ট: হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, শারীরিক পরিশ্রমের ঘাটতি, উচ্চ রক্তচাপ এবং দুশ্চিন্তা থেকে এই রোগগুলো হয়ে থাকে। রোগী স্ট্রোক করলে আমরা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ি। আবার অনেকে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক গুলিয়ে ফেলেন। অনেকের ধারণা স্ট্রোক হার্টে হয়, আসলে স্ট্রোক হয় ব্রেইনে। হার্টে হলে বলে হার্ট এটার্ক। ব্রেইনে কোনো কারণে রক্ত সরবরাহ বিঘ্ন হলে রক্তের অভাবে কিছু ব্রেইন টিস্যু মারা যায়, এটাই স্ট্রোক।
স্ট্রোকের সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলে জীবনরক্ষা সম্ভব। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা সেটা বুঝতে পারি না, ফলে হাসপাতালে নিতে দেরি হয়ে, যায় ফলে স্ট্রোকের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং স্ট্রোক পরবর্তী সমস্যাও আরও বেড়ে যায়।
* রোগীর যদি জ্ঞান থাকে তাহলে এক পাশ করে শুইয়ে দিন। প্যারালাইসিস অংশ ওপরে থাকবে, সুস্থ অংশ বিছানার সঙ্গে নিচে থাকবে। একটি উঁচু বালিশ বা দুটি বালিশ দিয়ে মাথা ওপরের দিকে রাখবেন। অবশ্যই মাথা এবং প্যারালাইসিস হাতকে সাপোর্ট দিয়ে রাখবেন। লক্ষ্য রাখবেন, প্যারালাইসিস হাত যেন না ঝুলে থাকে।
* কোনোভাবেই প্যারালাইসিস হাতকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। এতে করে পরবর্তীতে সোল্ডার সাবলাক্সেশন হয়ে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ঘটনা হয়ে থাকে। ফলে ওই রোগী পরবর্তীতে ভালো করা কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে হাতের ফাংশন বাধাগ্রস্ত হয়।
* স্ট্রোক করা রোগীকে কোনো কিছু খেতে দেবেন না, এমন কি পান করতেও দেবেন না।
* শরীরে কোনো টাইট কাপড় পরা থাকলে খুলে দিবেন, যাতে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে রোগীর কোনো অসুবিধা না হয়।
* রোগী যদি অজ্ঞান থাকে, তাহলে ভালো পাশে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস এবং পালস চেক করুন। শ্বাস-প্রশ্বাস এবং পালস ওকে থাকলে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করুন।
* আরও যদি শ্বাস-প্রশ্বাস এবং পালস পাওয়া না যায় সিপিআর (CPR-Cardiopulmonary Resuscitation) শুরু করতে পারেন। যদি আপনার জানা থাকে। আর জানা না থাকলে আপনার নিকটবর্তী হেলথ কেয়ার প্রফেশনালের সহযোগিতা নিতে পারেন।